বাবাকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন থিয়াগো মেসি

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
আর্জেন্টিনা জার্সিতে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ফুটবল অধ্যায়ের ইতি টানলেন লিওনেল মেসি।

আর্জেন্টিনা জার্সিতে দীর্ঘ ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ফুটবল অধ্যায়ের ইতি টানলেন লিওনেল মেসি। 

৮০ হাজারের বেশি দর্শকে পরিপূর্ণ ছিল মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম। গ্যালারিজুড়ে আবেগ, বিদায়ের ভার আর প্রিয় অধিনায়ককে শেষবারের মতো দেখার আকুলতা। লিওনেল মেসি তখন শেষ করেছেন নিজের ৯ মিনিটের আবেগঘন বক্তব্য।

এরপরই মঞ্চে ওঠে গ্রুপো কালি। গানে গানে যখন শেষ মুহূর্তগুলো উদ্‌যাপিত হচ্ছিল, তখনই ঘটে রাতের সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যটি।

মাঠের মাঝখানে বাবাকে দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসি। ছুটে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। আর মেসিও দুই হাত দিয়ে ছেলেকে আগলে নেন।

যে মাঠে মেসি অসংখ্যবার গোল করে উল্লাস করেছেন, বিশ্বকাপ হাতে তুলেছেন, আনন্দের কান্নায় ভেসেছেন সেই মাঠেই এবার বাবার বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদছিল তার ছেলে।

কিছুক্ষণ পর সেই আলিঙ্গনে যোগ দেন আন্তোনেলা রোকুজ্জো। স্বামী ও ছেলেকে জড়িয়ে ধরে তাদের পিঠে হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন তিনি। পরে পরিবারের অন্য দুই সন্তান মাতেও ও সিরো এসে যোগ দেয় সেই আবেগঘন মুহূর্তে।

মেসি কিছুক্ষণ আগেই বলেছিলেন, জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে না ফেরাটা তার জন্য ‘খুব কঠিন’ হবে। সেই কথার বাস্তব প্রতিচ্ছবিই যেন দেখা গেল পরিবারের আলিঙ্গনে।

বিদায়ের আগে নিজের বক্তব্যে মেসির প্রথম স্মরণে এসেছিল তার বাবা হোর্হে মেসির কথা, যিনি ৮ আগস্ট মারা গেছেন। এরপর তিনি স্মরণ করেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে কাটানো ২১ বছর, কঠিন সময়, বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফিনালিসিমা জয়ের স্মৃতি।

শেষদিকে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মেসিও। বলেছিলেন, ‘আমি যেতে চাই না, আমি মাঠ ছাড়তে চাই না।’ জাতীয় দলের জার্সি মিস করার কথা বলতে গিয়ে মেসি স্বীকার করেন, এই দিনটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিষণ্ন দিনগুলোর একটি।

মনুমেন্টালের আলো, হাজারো মানুষের করতালি আর গ্রুপো কালির সুরের মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবারের সঙ্গে মাঠ ছাড়েন মেসি। পেছনে তখনও গর্জন করছিল গ্যালারি।

 

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More