সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
UPCOMING

FIXTURES

FIFA 2026 NEXT MATCH
MATCH -- ROUND -
- - -
VS
- - -
KICK OFF:
Processing...
সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চোরের দল’ সার্চ করলেই আসছে আর্জেন্টিনার নাম, ঘটনা কী

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লেখাটি সার্চ করলেই সামনে চলে আসছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনাল ম্যাচের তথ্য।

গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখে সার্চ করলে যে তথ্য দেখাচ্ছে তা রীতিমতো ভাইরাল এখন। ব্যবহারকারীরা গুগলে লেখাটি সার্চ করলেই সামনে চলে আসছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬এর সেমিফাইনাল ম্যাচের তথ্য।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গুগলের কোনো আনুষ্ঠানিক নামকরণ নয়। বরং সামাজিক মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক ট্রোল পোস্ট, ভিডিও, মিম ও ক্যাপশনে আর্জেন্টিনা দলকে ব্যঙ্গ করে ‘চোরের দল’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

ফলে গুগল সার্চ অ্যালগরিদম ওই কিওয়ার্ডের সঙ্গে আর্জেন্টিনাইংল্যান্ড ম্যাচের সম্পর্ক খুঁজে পাচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সার্চ ফলাফল দেখাচ্ছে।

এই ট্রোলের পেছনে রয়েছে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত একটি ম্যাচ। ১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা।

সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথম গোলটি করেছিলেন হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে। পরে তিনি গোলটির নাম দেন ‘হ্যান্ড অব গড’। রেফারির চোখ এড়িয়ে করা ওই গোলটি বৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় তা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

তবে ওই ম্যাচেই ম্যারাডোনা প্রায় অর্ধেক মাঠ একাই ড্রিবল করে আরেকটি অসাধারণ গোল করেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পায়।

বিশ্বকাপ ২০২৬এ আবারও সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফলে ৪০ বছর আগের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ ও বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ট্রোল, মিম ও পোস্ট ভাইরাল হওয়ার কারণে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটিও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

তবে মনে রাখতে হবে ‘চোরের দল’ কোনো সরকারি বা ফিফার স্বীকৃত নাম নয়। এটি কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত একটি ব্যঙ্গাত্মক শব্দ, যা ভাইরাল কনটেন্টের প্রভাবে গুগলের সার্চ ফলাফলে উঠে এসেছে।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More