ফুটবল ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব শিরোপাই ছোঁয়া হয়ে গেছে তাঁর। অথচ ৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসি‘র দীর্ঘ ও বর্ণিল ক্যারিয়ারেই রয়ে গেছে এক অদ্ভুত শূন্যতা!
আন্তর্জাতিক ফুটবলে কখনোই ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়া হয়নি তাঁর। সেই অধরা ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই এবার ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচ খেলতে যাচ্ছেন ‘এলএমটেন’।
আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) আটলান্টায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আলবিসেলেস্তেরা। দুই পরাশক্তির এই মহালড়াইয়ের জয়ী দল পা রাখবে বিশ্বজয়ের চূড়ান্ত মঞ্চে। যেখানে শিরোপা লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ফ্রান্স অথবা স্পেন।
নরওয়েকে ২–১ ব্যবধানে বিদায় করে ইংল্যান্ড যখন সেমির মঞ্চে, তার কয়েক ঘণ্টা পরই নিশ্চিত হয় ফুটবলবিশ্বের পুরোনো সেই দ্বৈরথের মঞ্চ। ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে টপকে সেমিফাইনালের এই হাইভোল্টেজ মঞ্চ তৈরি করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
৮ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসির জন্য এই ম্যাচটি এক বিশাল আবেগের, কারণ জাতীয় দলের জার্সিতে এর আগে কখনোই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর।
ম্যাচটি নিয়ে মেসি বলেন, ‘১৯৮৬ সালের আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে আমি যা কিছু দেখেছি বা আমার মনে আছে, তার সবই মূলত বিভিন্ন ভিডিও আর ছবি থেকে; যা আমরা আর্জেন্টাইনরা প্রতিনিয়ত দেখি এবং বারবার সেই স্মৃতিতে ফিরে যাই।’
‘এলএমটেন’ বলেন, ‘তবে আমার মনে হয়, এই দলটা প্রতিপক্ষ কে, তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে কেবল নিজেদের ফুটবলটা খেলতেই অভ্যস্ত। অবশ্য ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা সবসময়ই বিশেষ কিছু, কারণ ওরা ফুটবল বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি। আর পরাশক্তিদের বিপক্ষে ম্যাচ তো সবসময়ই আলাদা রোমাঞ্চ ছড়ায়।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচ নিয়ে মেসি আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে, এবারই প্রথম আমি ওদের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছি। ইংল্যান্ড ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব বড় দলের বিপক্ষেই আমার খেলা হয়েছে, তাই এই দিক থেকেও ম্যাচটি আমার জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা হবে।’
এসএ