গোলবন্যা, হ্যাটট্রিক আর বিশ্বরেকর্ডে ভরপুর এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের সাক্ষী হলো মিয়ামি স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ৬–৪ গোলে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে থমাস টুখেলের শিষ্যরা।
এদিকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সমান গোল হলেও অ্যাসিস্টের দিক থেকে কিলিয়ান এমবাপের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে যাওয়া আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। যা তাকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে শীর্ষে রেখেছিল।
তবে সেমিফাইনালে বিশ্বকাপের দৌড় থামা ফ্রান্সের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেই মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন এমবাপে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী তারকার সামনে কঠিন সমীকরণ দাঁড় করে দিয়েছেন!
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর চলতি বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও সবার ওপরে উঠে গেছেন এমবাপ্পে। তার সংগ্রহ ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট।
ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে মেসি দুই গোল করলেও, তা গোল্ডেন বুট জয়ের জন্য যথেষ্ট হবে না। কারণ, গোলসংখ্যা সমান হলে ফিফার টাইব্রেকিং নিয়ম প্রযোজ্য হবে। প্রথম টাইব্রেকার হলো অ্যাসিস্ট। এমবাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে মোট ৪টি অ্যাসিস্টে পৌঁছেছেন, যা মেসির অ্যাসিস্ট সংখ্যারও সমান।
এরপরও যদি গোল ও অ্যাসিস্ট– দুই পরিসংখ্যানই সমান থাকে, তাহলে দ্বিতীয় টাইব্রেকার হবে কে কত কম সময় খেলেছেন। এক্ষেত্রেও সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন এমবাপে। ফলে ফাইনালে মেসি যদি শুধু দুটি গোল করেন এবং কোনো অ্যাসিস্ট না পান, তাহলেও গোল্ডেন বুট যাবে ফরাসি তারকার হাতেই। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ (রোববার) দিবাগত রাত ১টায় বিশ্বকাপ ফাইনালে লড়বে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। যেখানে দলীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি লড়াই চলবে ব্যক্তিগত পুরস্কারের জন্যও।
গোল্ডেন বুট জিততে মেসিকে যা করতে হবে
-
ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক (৩ গোল) করতে হবে
-
অথবা, ২ গোলের সঙ্গে অন্তত ১টি অ্যাসিস্ট করতে হবে