গরুর মাংস খাওয়ার আগে জানতে হবে ১০ তথ্য

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

১. গরুর মাংসে অ্যানাফিল্যাক্সিস নামে সৃষ্ট যৌগ আছে, যা কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খান।

২. গরুর মাংসে উচ্চমানের প্রোটিন আছে। তাই দিনে ৭০ গ্রামের বেশি প্রোটিন বা সপ্তাহে ৫০০ গ্রামের বেশি খাবেন না। প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা শুধু মাংস দিয়েই পূরণ করবেন না।

৩. গরুর মাংস খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হলো—সপ্তাহে দুই দিন ১৫৪ গ্রাম করে। প্রতি বেলায় ২ থেকে ৩ টুকরোর বেশি নয়। এতে ৬২ ক্যালরি পাবেন, যা দৈনিক চাহিদার ৩ থেকে ৫ শতাংশ ক্যালরির জোগান দেবে।

৪. যাঁদের থ্যালাসেমিয়া বা হেমাক্রোমাটোসিস নামে রক্তরোগ আছে, তাঁরা গরুর মাংস খাবেন না। কারণ, গরুর মাংসে যথেষ্ট পরিমাণে আয়রন আছে।

৫. যাঁদের বাতব্যথা বা ইউরিক অ্যাসিড বেশি আছে, তাঁরা গরুর মাংস এড়িয়ে চলবেন। কারণ, মাংসে পিউরিন (খাদ্য বিপাকের ফলে উৎপন্ন হওয়া পদার্থ) বেশি থাকে।

৬. যাঁদের কিডনির সমস্যা আছে, তাঁরা চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে মাংস খাবেন।

৭. যাঁদের ওজন বা কোলেস্টেরল খুব বেশি, তাঁরা এক থেকে দুই টুকরার বেশি মাংস খাবেন না। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

৮. যাঁদের গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস, লিভার বা অন্য কোনো পেটের সমস্যা আছে, তাঁরা ভুনা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল–মসলা এড়িয়ে চলবেন।

৯. যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত, তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ ব্যতীত খাবেন না।

১০. উচ্চ রক্তচাপের রোগী, হৃদ্‌রোগী ও কো–মরবিটির রোগীরা এক থেকে দুই টুকরা সলিড মাংস খেতে পারেন। তবে অবশ্যই সালাদ ও টক দই খাবেন। তবে অতিরিক্ত ঝুঁকিতে থাকলে গরুর মাংস এড়িয়ে চলুন।

 

সুপ্তি/ দীপ্ত সংবাদ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More