ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শহরের ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককরোচ জনতা পার্টি আগামী ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের আয়োজন করতে চেয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করা এবং আগের কর্মসূচিতে পুলিশের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
দিল্লি পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নূপুর প্রসাদ জানান, কর্মসূচির জন্য গত ৭ অক্টোবর আবেদন জমা দিয়েছিল সংগঠনটি। পুলিশের নিয়ম অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের মতো নির্ধারিত এলাকায় বিক্ষোভ বা জনসভার অনুমতি পেতে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করতে হয়। সে কারণে অনুমতি দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। খবর পিটিআই ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।
ভোটার তালিকা থেকে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাইছে ককরোচ পার্টি ও দেশটির বিরোধী দলগুলো। তারা বলছে, জ্ঞানেশ কুমার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজ্ঞাবহ ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। তাকে সরকারের পক্ষ থেকে যা করতে বলা হয় তিনি তাই করেন। তাই তার অধীনে আর কোনো সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যে এটির সবচেয়ে বড় প্রভাব দেখা গিয়েছিল। সেখানে রাজ্যসভার নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর এ রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসে। নির্বাচনের পরই আবার সেসব মানুষকে ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়। যে ৭০ লাখ মানুষকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটি নির্বাচনে বড় প্রভাব রেখেছে বলে ধারণা করা হয়।