রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মরক্কোর কাছে লজ্জা বাঁচালেন ভিনিসিয়ুস

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একক নৈপুণ্য আর জাদুকরী পারফরম্যান্সে চরম বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেলো সেলেসাওরা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই মরক্কোর বিপক্ষে ১১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে সেলেসাওদের।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা দুই পরাশক্তি ব্রাজিল ও মরক্কোর মহারণ। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে বড় এবং হাইভোল্টেজ ম্যাচ ছিল এটিই। তবে মাঠের লড়াইয়ে সেই ‘বড় ম্যাচ’ ১১ গোলে ড্র হওয়ায় রাত জাগা ফুটবলপ্রেমীদের ক্লান্তি হয়তো পুরোপুরি উসুল হয়নি, বিশেষ করে ব্রাজিলের সেলেসাও সমর্থকদের মন কিছুটা উসখুশ করারই কথা।

মাঝমাঠে মরক্কোর চোখ ধাঁধানো ‘ফ্লুইড ফুটবল’ আর গতির সামনে যেন দিশেহারা ছিলেন কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। মাঝমাঠ আগলে রাখার দায়িত্বে থাকা কাসেমিরোকে পুরো প্রথমার্ধে খুঁজেই পাওয়া যায়নি, আর ডিফেন্সে রজার ইবানিয়াজের নড়বড়ে পারফরম্যান্স মরক্কোর ফরোয়ার্ডদের কাজটা আরও সহজ করে দেয়। ম্যাচের ঠিক ২১ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান রক্ষণভাগের সেই খামতির ফায়দা লুটে মরক্কোকে উল্লাসে ভাসান ইসমায়েল সাইবারি। ১০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মাঠে জয়ের ‘ফেবারিট’ মনে হচ্ছিল কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকেই।

তখনই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দলের এমন মহাবিপর্যয়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে চতুরতায় কাটিয়ে দারুণ এক কোণাকুণি শটে বল জালে জড়ান।

দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কো প্রথমার্ধের তুলনায় কিছুটা ম্লান হয়ে পড়লে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে ব্রাজিল। বেশ কিছু আক্রমণ করলেও মরক্কোর কঠিন ডিফেন্স ভাঙার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। গত চারপাঁচ বছরে বিশ্ব ফুটবলে ‘বিপ্লব’ ঘটানো মরক্কোও আর কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১১ গোলের পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More