জ্বালানি তেলের সংকট না কাটায় গ্রাহকদের ভােগান্তি চরমে পৌঁছেছে। পাশাপাশি বড় বিপনীবিতান, হাসপাতাল আর আবাসিক ভবনে জেনারেটরের জন্য প্রয়ােজনীয় ডিজেল না পেয়ে দুশ্চিন্তায় রাজধানীবাসী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তেলের পাম্পগুলাের আশেপাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি আরও লম্বা হচ্ছে। পাশাপাশি ভােগান্তি বাড়ছে শপিং মল, আবাসিক ভবন আর বেসরকারি হাসপাতালগুলােতেও।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সকল শপিং মল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এর প্রভাব পড়েছে বেচা বিক্রিতেও।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যেখানে ২৪ ঘণ্টাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়ােজন। লোড শেডিংয়ের সময় তাই দরকার পড়ে ডিজেলেরও। তাই জেনারেটরের জন্য প্রয়ােজনীয় জ্বালানি তেল আনতে এখন ভােগান্তিতে পড়তে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
আবার রাজধানীর বড় বড় আবাসিক ভবনেও বিদ্যুৎ চলে গেলে লিফট চালু রাখাসহ বিভিন্ন কাজে জেনারেটর প্রয়ােজন হয়। জ্বালানি সঙ্কটে এখন তারাও আছেন বিপদে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চান ভুক্তভোগীরা।