মাত্র ২০ বছর বয়সে বিরল রোগে মারা যাওয়া চারুরকলার ছাত্রী সারাহ ইসলামের কর্নিয়া পাওয়া দুই জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে আরো দুজনকে। সারাহকে অনুসরণ করে অন্যদেরও মরনোত্তর অঙ্গদানে আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, চিকিৎসক ও সুস্থ হওয়া রোগীরা।
দেশের প্রথম ব্রেন ডেথ রোগী সারাহ ইসলাম। টিউবেরাস স্কেলেরোসিস রোগে আক্রান্ত ২০ বছর বয়সী চারুকলার এই শিক্ষার্থীর মৃত্যু অবধারিত ছিলো। তবে তার সাহসী পদক্ষেপে চার জন মানুষের জীবনে আলো ফিরে এসেছে। মরনোত্তর অঙ্গদান করে তাই অমর হয়ে আছেন সারাহ।
তার দুটো কিডনি নিয়ে সুস্থ আছেন দুজন। আর কর্নিয়া পেয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদীর স্কুল শিক্ষক ফেরদৌস আখতার এবং নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ সুজন। অজানা ভাইরাসে দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর চিকিৎসক কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেয়ার পর, খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন এরা দুজন। দিশেহারা অবস্থার মধ্যে আলোর দিশারী হন সারাহ ইসলাম।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতি বছর ৩২ হাজার ৩০০ শিশু আরওপিজনিত অন্ধত্বের শিকার হয়। এদের বড় অংশের দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে মরনোত্তর কর্নিয়া দান করার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ চোখে দেখে না। আর ১০০ জনের মধ্যে ১৯ জন দৃষ্টি ত্রুটিজনিত সমস্যায় ভুগছেন।