নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২–১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে ব্রাজিলের। অথচ শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ১২ মিনিটে পেনাল্টি পেলেও, সেটিতে গোল করতে পারেননি ব্রুনো।
ধীরে ধীরে রান–আপ নিয়ে নরওয়ের গোলকিপার অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ডকে বোকা বানানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি ব্রাজিল মিডফিল্ডার। বাম দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভ করে নরওয়ের জাল অক্ষত রাখেন নাইল্যান্ড।
সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, পরিসংখ্যানে ভরসা করেছিলেন তারা।
আমাদের ও প্রতিপক্ষ দলের গত এক বছরের পরিসংখ্যান নিয়ে বসেছিলাম আমরা। সেখানে আমাদের সেরা পেনাল্টি টেকার ছিলেন নেইমার, ইগো থিয়াগো, রাফিনিয়া। তাদের পরই ব্রুনো গিমারায়েস। আর এরপর (গ্যাব্রিয়েল) মার্টিনেল্লি। তো আমরা ব্রুনো গিমারায়েসকে বেছে নিয়েছি, কারণ আমাদের মনে হয়েছে মাঠে থাকাদের মধ্যে সে–ই পেনাল্টিতে সেরা।‘
ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিল যখন পেনাল্টি পায়, তখন মাঠেই ছিলেন না নেইমার, থিয়াগো ও রাফিনিয়া। যে কারণে ব্রুনোর কাছেই চলে যায় পেনাল্টি শটের দায়িত্ব।
গত মৌসুমে নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে দুই শটের দুটিতেই গোল করেন ব্রুনো। তবে তিনি দলের মূল পেনাল্টি টেকার ছিলেন না।