রাত পোহালেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট হবে বাকি ৮ জেলার ১৪২টি আসনে।
শেষ মুহুর্তে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে আসন্ন ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ভোটকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও বিরোধীরা।
ভারতে রাজ্য পরিচালনার জন্য যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই বিধানসভা নির্বাচন। চলতি দফায় পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে ৯ এপ্রিল এবং শেষ হবে ২৯ এপ্রিল। ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে।
কেরালা, পুদুচেরি এবং আসামে ইতোমধ্যেই এক দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে ৯ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। তামিলনাড়ুতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে এক দফায় ২৩ এপ্রিল।
এই পাঁচ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি। বিশাল এই নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ২৫ লাখ কর্মী। প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য একজন করে কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন প্রায় ১৫ লাখ ভোটকর্মী, সাড়ে ৮ লাখ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০ হাজার গণনাকর্মী, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজারভার।
এছাড়াও দায়িত্বে রয়েছেন ২ লাখ ১৮ হাজার বুথ লেভেল অফিসার এবং ১ হাজার ১১১ জন পর্যবেক্ষক। এই পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক রয়েছেন।