ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২১ প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৪ জুনের মধ্যে এই ব্যয়বিবরণী দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে হিসাব না দিলে দুই থেকে সাত বছরের জেল ও অর্থদণ্ডের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়টিও প্রার্থীদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে কমিশন।
শনিবার (২৩ মে) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেয়া বাধ্যতামূলক। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে অনেকেই হিসাব জমা দিতে পারেননি। প্রার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রথম দফায় ৬ মে পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছিল ইসি। তবে এই বর্ধিত সময়ের মধ্যেও ২১ জন প্রার্থী তাদের হিসাব জমা দেননি। ফলে কমিশন দ্বিতীয় দফায় ১৪ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দেয়া প্রার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও।
হিসাব জমা না দেয়া প্রার্থীরা হলেন– মির্জা মো. শওকত আকবর (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, নীলফামারী–৪), হাবিব মো. ফারুক (বাংলাদেশ জাসদ, লালমনিরহাট–১), মো. আজিজুর রহমান (জেএসডি, রংপুর–২), সরকার মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী (গণ অধিকার পরিষদ, কুড়িগ্রাম–৩), নবাব মো. শামসুল হোদা (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১), মো. আবদুল হালিম (মুক্তিজোট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১), মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (স্বতন্ত্র, নাটোর–১), মো. আইনুর রহমান মিয়া (গণ অধিকার পরিষদ, ভোলা–১), মহিবুল্লাহ খোকন (স্বতন্ত্র, ভোলা–২), মো. আলা উদ্দিন (আমজনতার দল, ভোলা–২), মো. আবু তৈয়ব (গণ অধিকার পরিষদ, ভোলা–৩), মো. কামাল উদ্দিন (জাতীয় পার্টি, ভোলা–৩), আবুল কালাম (এনডিএম, ভোলা–৪), মো. জালাল উদ্দীন রুমী (আমজনতার দল, ভোলা–৪), মো. রফিকুল ইসলাম (এবি পার্টি, ময়মনসিংহ–৫), অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন (স্বতন্ত্র, ময়মনসিংহ–৬), মো. লিটন (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি, ঢাকা–১৪), শেখ মুশতাক আহমদ (খেলাফত মজলিস, সুনামগঞ্জ–৩), মো. এনামুল হক (নাগরিক ঐক্য, চাঁদপুর–২), মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (জামায়াতে ইসলামী, চট্টগ্রাম–১২) এবং আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দীন (এনসিপি, বান্দরবান)।