শিরোনাম
নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা সাজেক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দুর্গাপূজা ঘিরে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত শিথিল সাজেক সড়কের অবরোধ মাদকাসক্ত ছেলেকে হাত-পা বেঁধে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রিয়াদ ও দাম্মামের সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমানর সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ওয়াকআউট টেস্টে সময় নষ্টআইসিসির শাস্তি পেলেন আফগান ক্রিকেটার ছয় মাসে ৬০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদপিএসসির সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর ছেলের কারাদণ্ড উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কর্মী নিয়োগের ঘোষণা
দীপ্ত নিউজ
পরিবেশ

শনিবার ঢাকার বাতাস যেমন

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
শনিবার ঢাকার বাতাস যেমন
সংগৃহীত ছবি

শনিবার (৬ জুলাই) সকালে ঢাকার বাতাসের মান ‘মাঝারি’ পর্যায়ে। সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ৯২ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শহরটির স্থান ১২তম।

উগান্ডার কাম্পালা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা ও কুয়েতের কুয়েত সিটি যথাক্রমে ১৭৯, ১৭৪ ও ১৬২ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম তিনটি স্থান দখল করেছে।

একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ পর্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর‘, ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর‘ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো– বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো– ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ু দূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

আল / দীপ্ত সংবাদ