ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ বাঁশি বাজার আর দুই সপ্তাহও বাকি নেই। এরই মধ্যে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল ম্যাচের জন্য নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। বলটির নাম ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল (TRIONDA FINAL)’।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে উন্মোচিত ‘ট্রিওন্ডা অফিসিয়াল‘ ম্যাচ বলের উন্নত সংস্করণ এটি। আগের বলের একই প্রযুক্তি ও পারফরম্যান্স বজায় রাখা হলেও নকশায় আনা হয়েছে নতুনত্ব।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম শুধু রঙ বদলেই সীমাবদ্ধ থাকেনি অ্যাডিডাস। টুর্নামেন্টের শেষ ৪ ম্যাচের গুরুত্ব তুলে ধরতে তৈরি করেছে আলাদা নকশা।
‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল‘ বলে নকশায় ফুটে উঠেছে বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীকী যাত্রা। সোনালি রঙের আবরণে তুলে ধরা হয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিচ্ছবি, আর কালো ভিত্তির ওপর সেই সোনালি রঙ বলটিকে দিয়েছে আলাদা আবেদন।
এই বলে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহর। সেমি–ফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল ম্যাচের আয়োজনকারী শহর ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি ও নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সি‘কে প্রধান নকশায় তুলে ধরা হয়েছে।
পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও রয়েছে ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক উপাদানে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘বিশ্বকাপের শেষ ৪ ম্যাচের জন্য ট্রিওন্ডা ফাইনাল বল এসেছে। পুরো টুর্নামেন্টে ট্রিওন্ডা প্রতিটি গোলের মুহূর্তে আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছে। এটি কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র– তিন স্বাগতিক দেশের ঐক্য ও ফুটবলের প্রতি আবেগের প্রতীক।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেষ ৪ ম্যাচে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের পায়ে থাকবে এই বল। প্রতিটি স্পর্শ, পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদানও ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।’
নতুন নকশার পাশাপাশি প্রযুক্তিতেও রয়েছে আধুনিক সংযোজন। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল‘ বলে কানেক্টেড বল টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রিয়েল–টাইমে বলের তথ্য পাওয়া যাবে, যা ম্যাচ পরিচালনায় রেফারিদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে ও বিশ্লেষণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এসএ