মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ঈদুল ফিতর ছুটি এগিয়ে এনে দেশের সব সরকারি–বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আজ (সোমবার, ৯ মার্চ) থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আগামী ৯ মার্চ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে উল্লিখিত তারিখ পর্যন্ত দেশের সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ–জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যা করণীয়
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
২. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইটের ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
৩. অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এসিসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে।
৪. এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।
৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এসিসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৭. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এসি ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৮. যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
৯. গাড়ির ব্যবহার সীমিত করতে হবে ও জ্বালানি ব্যবহারেও সাশ্রয়ী হতে হবে।
ইউজিসি তথ্যানুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যা ১৭২টি। এর মধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৫৬টি, আর অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৬টি।
এসএ