শিরোনাম
ঢাকা আসছেন বিলাল আব্বাস, দেখা করবেন যেভাবে দেশের কোনো ব্যাংকের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরে গণপিটুনিতে দুজনের মৃত্যু আরও ৬ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিল ‘প্রবাস’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতা দলের তারেক রহমান ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা-দাম্মাম ও ঢাকা-রিয়াদ রুটে ফ্লাইট স্থগিত আ.লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি: জামায়াত আমির যেকোনো বাধা উপেক্ষা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

সরকারি নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকা বাধ্যতামূলক করে পরিপত্র জারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
সরকারি নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকা বাধ্যতামূলক করে পরিপত্র জারি

সরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করতে ১০–১২তম গ্রেডের নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকা রাখা বাধ্যতামূলক করে পরিপত্র জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২৫ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, প্রতিটি পদের বিপরীতে ২জন প্রার্থীকে অপেক্ষমাণ রাখা হবে। মূল তালিকা থেকে কেউ চাকরি যোগ না দিলে বা যোগ দেওয়ার পর চাকরি ছাড়লে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

অপেক্ষমাণ তালিকার মেয়াদ হবে নিয়োগ সুপারিশ দেওয়ার দিন থেকে ১ বছর। তবে কোনো কারণে এর মধ্যে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে অপেক্ষমাণ তালিকা আর কার্যকর থাকবে না। তবে জরুরি না হলে একটি নিয়োগ দেওয়ার এক বছরের মধ্যে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে না।

কোনো পদ ফাঁকা হলে অপেক্ষমাণ থাকা প্রার্থীদের পরীক্ষার ফল উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কমিটি নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। এরপর ওই দপ্তরের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে প্রার্থীর নাম ও রোল প্রকাশ করা হবে। নিয়োগ কমিটি সদস্যসচিব অপেক্ষমাণ তালিকার মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা প্রার্থীকে মোবাইলে ফোন করে এবং এসএমএস দিয়ে নিয়োগ বিষয়টি জানাবেন। এরপর রেজিস্ট্রি ডাকে চিঠিও পাঠানো হবে।

চিঠি পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রার্থী যোগাযোগ না করলে পরের মেধাক্রমে থাকা প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য ডাকা হবে।

এর আগে, সরকারি চাকরির ১৩–২০তম গ্রেডের নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকা সংরক্ষণের নিয়ম রেখে ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নতুন পরিপত্র জারি হলে ১০–২০তম গ্রেডের সব নিয়োগেই অপেক্ষমাণ তালিকা রাখতে হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া বলেন, নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকা রাখলে চাকরি প্রার্থীরা ভালো সুবিধা পাবেন। একজনকে একই দপ্তরে বারবার আবেদন করতে হবে না। এতে সরকারের খরচ বাঁচবে এবং সহজেই ফাঁকা পদ পূরণ করা যাবে।

 

এসএ

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।