মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশীয় বিশ্বমানের কৃষি প্রযুক্তির বার্তা নিয়ে এনএসি’র নতুন ওভিসি উন্মোচন

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের কৃষি খাতে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি কৃষি উপকরণের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ধারণা প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে দেশে উৎপাদিত বিশ্বমানের সার, বীজ ও কৃষি সুরক্ষা পণ্য যে কার্যকারিতা ও গুণগত মানে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম, সেই বার্তাই তুলে ধরতে *‘ঘুম ভাঙছে…’* শিরোনামে ধারাবাহিক ওভিসি (OVC) নির্মাণ করেছে এনএসি। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের প্রথম পর্বের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ধান চাষিদের বাস্তব সমস্যাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই ওভিসিতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে আগাছা ধানের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও খাদ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ফলনের ক্ষতি করে। পাশাপাশি শ্রমিক সংকট, আগাছা পরিষ্কারে বাড়তি খরচ এবং কার্যকর আগাছানাশক নির্বাচন নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তাকেও তুলে ধরা হয়েছে।

এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান হিসেবে এনএসি বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন ধানের আগাছানাশক *‘Changer’। এই পণ্যটি ধানক্ষেতে **সরু পাতা, চওড়া পাতা এবং সেজ (মুথা) জাতীয় আগাছা দমনে কার্যকর। মাত্র **১০০ গ্রাম প্রতি বিঘা* জমিতে সঠিক সময়ে প্রয়োগ করলে ধানের প্রাথমিক বৃদ্ধির সময়ে আগাছার প্রতিযোগিতা কমাতে সহায়তা করে, ফলে কম শ্রম ও কম খরচে আগাছা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সুস্থ ও সবল ধানের বৃদ্ধি এবং অধিক ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

এই উপলক্ষে এনএসি’র প্রধান কার্যালয়ে নতুন ওভিসির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন *ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার (NAC)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কৃষিবিজ্ঞানী কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান, সিআইপি*, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ওভিসির শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষকদের জন্য উন্নত, কার্যকর ও সাশ্রয়ী কৃষি উপকরণ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে—এই বাস্তবতা কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া সময়ের দাবি। কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো, শ্রম নির্ভরতা হ্রাস এবং অধিক ফলন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এনএসি ধারাবাহিকভাবে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এনএসি বিশ্বাস করে, গণমাধ্যমের সহযোগিতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশীয় কৃষি প্রযুক্তির প্রতি কৃষকদের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের কৃষি খাত টেকসই উন্নয়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More