ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি‘র রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্রান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স ও এর আশপাশের এলাকায় তৈরি হয়েছে জনসমুদ্র।
কমপ্লেক্সে জড়ো হওয়া শোকাহত ইরানিদের কণ্ঠে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান ধ্বনিত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির মরদেহবাহী কফিন মোসাল্লায় পৌঁছানোর আগেই অগণিত মানুষ জড়ো হন। শোকাহত অনেককে লাল পতাকা ও প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা গেছে। ইরানে লাল পতাকা সাধারণত প্রতিশোধের আহ্বানের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
উপস্থিত ব্যক্তিরা ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিচ্ছিলেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে হাজারো শোকার্ত মানুষের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে খামেনির কফিন।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, খামেনির কফিনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও জনসমক্ষে আনা হচ্ছে। গ্র্যান্ড মোসাল্লার ভেতরে ও আশপাশে অবস্থান নেওয়া হাজারো মানুষ গভীর শোক ও আবেগের মধ্য দিয়ে তাদের শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ৮৬ বছর বয়সি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসনের নিহত হন।
এসএ