শিরোনাম
ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে যেসব কাজ করা যাবে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ১৩ নির্দেশনা ফায়ার সার্ভিসের বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী আসছেন মঙ্গলবার, ব্যাপক প্রস্তুতি ডেঙ্গুতে একদিনে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দীপ্ত নিউজ
নির্বাচিত ৩

নানির বাগানবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত কারিনা কায়সার

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
নানির বাগানবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত কারিনা কায়সার
ছবি: সংগৃহীত

মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় নানির বাগানবাড়ি আঙিনায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার।

সোমবার (১৮ মে) সকাল ৭টায় উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আবদুল্লাহপুর গ্রামে তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

কারিনা‘কে বিদায় জানানোর শেষ মুহূর্তটুকু একান্ত নিজেদের মধ্যেই রাখতে চেয়েছিল পরিবার। তাই দাফন সম্পন্ন হয়েছে পুরোপুরি পারিবারিক আবহে। সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার ছিল না, মুঠোফোন বা ক্যামেরা নিয়েও কাউকে ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি।

কারিনা কায়সার ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির মেয়ে। তিনি গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া সরকারবাড়ির প্রয়াত আবুল খায়ের ও জোহরা খানমের নাতনি। বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদ তাঁর দাদি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় রবিবার (১৭ মে) সব আনুষ্ঠানিকতা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাতেই কারিনা‘র মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গজারিয়া।

দাফনের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন কারিনা‘র ছোট ভাই সাদাত হামিদ।

তিনি বলেন, ‘ঢাকায় তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা ছিলেন। তবে দাফনের সময় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো মিডিয়াকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমরা মূলত প্রচার ও অতিরিক্ত লোকসমাগম থেকে কিছুটা আড়ালে থাকার জন্যই গ্রামে এসেছি। আশা করি, আপনারা আমাদের মানসিক অবস্থা ও বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।’

উল্লেখ্য, লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েক দিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ মে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

এসএ