শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজ জন্মস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
৬ দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ শ্রদ্ধা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি।

৬ দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ শ্রদ্ধা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা (.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণের দার আলজিকর নামের কক্ষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

যখন আলী খামেনির মরদেহ একটি ট্রাকে করে মাশহাদ শহরের জনাকীর্ণ সড়ক দিয়ে ইমাম রেজার মাজারের দিকে নেয়া হয়। ট্রাকের দুই পাশে সাদা পাগড়ি পরা আলেমরা হাঁটছিলেন। কালো পোশাক পরা শোকাহত লাখো মানুষ ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান–সংবলিত লাল প্ল্যাকার্ড হাতে শোকযাত্রায় অংশ নেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের সময় তার পরিবার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার মেজো ছেলে এবং ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি।

১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া খামেনি তরুণ বয়সে কোম ও মাশহাদে ইসলামি শিক্ষা লাভ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দ্রুত দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

এরপর ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছর তিনি সেই দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More