সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ৯ম পে–স্কেল বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম ধাপে শুধু মূল বেতন (বেসিক) বাড়ানো হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত গেজেট চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি বা শেষ দিকে প্রকাশ হতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সম্প্রতি বিবিসি বাংলা‘কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও রাজনৈতিক নির্দেশনার আলোকে নতুন পে–স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একসঙ্গে সব সুবিধা কার্যকর না করে প্রথম ধাপে শুধু সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মূল বেতন বাড়ানো হবে।
তিনি জানান, কোন গ্রেডে কত টাকা বা কত শতাংশ বেতন বাড়বে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আগে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো গেজেট চূড়ান্ত করতে প্রয়োজনীয় কাজ করছে।
এদিকে, প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে–স্কেলের একটি খসড়া রূপরেখা আলোচনায় এসেছে। এতে আগের মতো ২০টি গ্রেড বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম গ্রেডের বেতন যথাক্রমে ১ লাখ ৩২ হাজার, ১ লাখ ১৩ হাজার, ১ লাখ এবং ৮৬ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম গ্রেডের মূল বেতন যথাক্রমে ৭১ হাজার, ৫৮ হাজার, ৪৭ হাজার ২০০, ৪৫ হাজার ১০০ এবং ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। ১১তম থেকে ১৫তম গ্রেডের জন্য প্রস্তাবিত বেতন ২৫ হাজার, ২৪ হাজার ৩০০, ২৪ হাজার, ২৩ হাজার ৫০০ এবং ২২ হাজার ৮০০ টাকা। আর ১৬তম থেকে ১৯তম গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ২১ হাজার ৯০০, ২১ হাজার ৪০০, ২১ হাজার এবং ২০ হাজার ৫০০ টাকা মূল বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে এসব বেতন কাঠামো এখনো প্রস্তাবিত পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পরই নতুন পে–স্কেলের আনুষ্ঠানিক রূপ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া স্পষ্ট হবে।
এসএ