দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

স্যার ডাকার মধ্যেই কি নির্ভর করে সম্মান!

Deepto News : দীপ্ত নিউজ
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
স্যার ডাকার মধ্যেই কি নির্ভর করে সম্মান!

গণকর্মচারীদের বেতন ভাতা জনগণের করের টাকায় হয়। তাই তাদেরকেই সর্বোচ্চ সম্মান দেখানো উচিত সেবাদাতা বা সরকারি কর্মচারীদের। এমন মত সাবেক আমলাদের। আর রাজনীতিবিদরা বলছেন স্যার বলা না বলার মধ্যে কোনো মানুষের সম্মান নির্ভর করে না। সাম্প্রতিক ঘটনা আমলাতন্ত্রের প্রভাব হিসেবে দেখছেন তারা।

সম্প্রতি রংপুর জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীনের বিরুদ্ধে স্যার বলতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক এ অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এদিকে, বগুড়ায় এক শিক্ষার্থীর অভিভাবককে পা ধরতে বাধ্য করার অভিযোগে অতিরিক্ত জেলা জজ রুবাইয়া ইয়াসমিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কয়দিন আগেও প্রশাসনের কিছু কর্মচারীর আচরণ নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্যরা। রংপুর ও বগুড়ার মতো ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য বলছেন রাজনীতিবিদ ও আমলারা।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, সরকারি কর্মচারীদের স্যার ডাকা না হলে যে বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এটা থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। কারণ গণকর্মচারীদের বেতন ভাতা জনগণের করের টাকায় হয়। কাজেই সেবাগ্রহীতাকে যে সম্মান দেয়া দরকার সেটা তাদের করা উচিত। এটা তাদের কর্তব্য।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার বলেছেন, পাটোয়ারী সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে যে ঘটনা গুলো ঘটছে এদেশে সবসময় কোন তন্ত্রের প্রভাব ছিল যেমন সেনাতন্ত্র কখনো পুলিশ তন্ত্র কখনো এমপি তন্ত্র। আমি মনে করি স্যার ডাকা না ডাকা দিয়ে কারোর সম্মান কখনো নির্ভর করে না।

তাঁদের মতে, সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীরকে স্যার বলাটা প্রশাসনিক কোনো সম্বোধন নয়। এটা বৃটিশ আমল থেকে চালু হওয়া সংস্কৃতি। এটা পালনে বাধ্য করা দেশের এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা।

তাঁরা বলছেন, জনগণকেও সেবাদাতাকে সম্মান দেখানো দরকার। তবে এটা স্যার শব্দের মধ্যে হতে হবে এমন নয়।

এফএম/দীপ্ত সংবাদ