শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুইডেনের সঙ্গে ড্র করে নক আউটে ব্রাজিলকে পেল জাপান

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ পর্বে ফেভারিট ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে এশিয়ান পরাশক্তি জাপান। মঙ্গলবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সাথে ১১ গোলে ড্র করায় তিন ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপএফ’র দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে জাপান। ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে নেদারল্যান্ডস।

৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে গ্র্যাহাম পটারের সুইডেনও পৌঁছে গেছে পরের রাউন্ডে।

ডালাসের ৭০ হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামে কাল দ্বিতীয়ার্ধে প্রাণ ফিরে পায় ম্যাচটি। বিরতির পর ডেইজেন মায়েডা জাপানকে এগিয়ে দেন। কিন্তু ছয় মিনিট পর এন্থনি এলানগার গোলে সুইডেন সমতায় ফেরে।

টুর্নামেন্টের ডার্ক হর্স হিসেবে ইতোমধ্যেই বিবেচিত জাপান আরও একবার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমান দিল। ম্যাচের শেষ ভাগে আলেক্সান্দার ইসাক ও এলানগা গোলের সুযোগ হাতছাড়া না করলে অবশ্য ম্যাচের ভাগ্য ভিন্ন হতে পারতো।

আরেক ম্যাচে তিউনিশিয়াকে ৩১ গোলে পরাজিত করে গ্রুপের শীর্ষস্থান শক্তিশালী করেছে নেদারল্যান্ডস। শেষ ৩২ রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো।

গত অক্টোবরে ঘরের মাঠে প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে ৩২ গোলে পরাজিত করেছিল জাপান। কোচ হাজিমে মোরিয়াসু সতর্ক করে বলেছেন ব্রাজিল হয়তো এই ম্যাচে প্রতিশোধ নিতেই মাঠে নামবে, ‘হতে পারে এটা প্রতিশোধের ম্যাচ। কারন ঐ ম্যাচ থেকে তারা আরও বেশী শিক্ষা নিয়েছে। তারপরও আমাদের সুযোগ থাকবে এগিয়ে যাবার। আশা করছি আরও কিছুদুর নিজেদের এগিয়ে নিতে যেতে পারবো।’

নেদারল্যান্ডসের কাছে আগে ম্যাচে ৫১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ায় কাল গোলরক্ষক পরিবর্তণ করে মূল দল সাজিয়েছিলেন পটার। এলানগাকেও একাদশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

গ্রুপ পর্বে অন্যতম কঠিন একটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচিত এফগ্রুপ থেকে জাপান, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন প্রত্যেকেরই পরের রাউন্ডে যাবার সুযোগ ছিল। ডাচরা প্রথম ম্যাচেই জাপানের সাথে ২২ গোলে ড্র করে হোঁচট খায়। তিউনিশিয়াকে প্রথম শ্যাচে ৫১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সুইডেনও নিজেদের যোগ্যতার জানান দেয়। গ্রুপে শুধুমাত্র তিউনিশিয়া বাকি তিন দলের সাথে পেরে উঠেনি।

জাপান ও সুইডেন ম্যাচ শুরুর আগেই জানতো অন্তত ১ পয়েন্ট তাদেরকে বাঁচিয়ে দিবে। তারই ধারাবাহিতায় প্রথমার্ধে উভয় দলই কিছুটা রক্ষনাত্মক কৌশলে খেলেছে। প্রিমিয়ার লিগের ইসাক ও ভিক্টর গায়োকেরেস সুইডিশ আক্রমনে কিছুটা সুযোগ থৈরী করেছে। কিন্তু টেকনিক্যালি জাপান তাদের কাছেই বল বেশী রেখেছে। কেইতো নাকামুরার শট সুইডিশ গোলরক্ষক উইডেল জেটারস্ট্রম দারুন দক্ষতায় রুখে দেন। প্রথমার্ধে এই একটি আক্রমন ছাড়া উল্লেখ করার মত তেমন কিছুই ছিলনা।

দ্বিতীয়ার্ধও একই গতিতে শুরু হয়। জাপানিজ মিডফিল্ডার আয়ো টানাকার শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৫৬ মিনিটে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যায় মোরিয়াসুর দল। সেল্টির এ্যাটাকার মায়েযার বল আটকাতে পারেনি জেটারস্ট্রম। জাপান এই লিড ধরে রেখেছিল মাত্র ছয় মিনিট। নিউক্যাসল উইঙ্গার এলানগা ডানদিক থেকে কাট করে দুর্দান্ত শটে গোলরক্ষক জিওন সুজুকিকে পরাস্ত করেন।

ইনজুরি টাইমে প্রথমে এলানগাকে রুখে দেবার পর ইসাকের হেড আটকে দেন সুজুকি।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More