বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাইয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান লিউ হাইসিং। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৯ বারের চীন সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, তার প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০০১ সালের সফরের ছবি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

বৈঠকে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সদ্য স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করে দুই দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন চীনা মন্ত্রী। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ এবং জীবনমান উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।

চীন সর্বদা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক—এ কথা উল্লেখ করে লিউ হাইসিং পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের চলমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ এবং চীনবাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালনির্মাণে চীনের অব্যাহত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ঐতিহ্য এবং পারস্পরিক আস্থার যে লিগ্যাসি রয়েছে, তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে বলে চীন গভীরভাবে বিশ্বাস করে।

গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদি আমিন এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

অন্যদিকে, চীনের পক্ষে সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More