সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গের পর এবার সান্ত্বনার লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে দল দুটি। তবে টুর্নামেন্টের এই আনুষ্ঠানিক ম্যাচটি খেলতে দুই দলের কেউই তেমন একটা আগ্রহী নয়।
এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ‘আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না, ফ্রান্সের খেলোয়াড়রাও চায় না। সবাই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমরা সবকিছু দিয়েছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন আমাদের এই ম্যাচ খেলতে হবে। ফ্রান্সের তুলনায় আমরা একদিন কম বিশ্রাম পেয়েছি, তবুও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ম্যাচটি খেলবো।‘
সেমিফাইনালে দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে ২–১ ব্যবধানে হেরে যায় ইংল্যান্ড। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংলিশরা, কিন্তু এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোল তাদের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।
এমন হারে হতাশ হলেও দলের পারফরম্যান্সে গর্বিত টুখেল। তিনি বলেন, ‘আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে আমাদের চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। তাই সেমিফাইনালে ওঠা অবশ্যই বড় সাফল্য। বিশ্বের অনেক বড় ফুটবল শক্তি এর আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। এটা নিঃসন্দেহে অর্জন। কিন্তু এই মুহূর্তে কেউ সেটা শুনতে চায় না, আমিও না। কারণ আমরা নিজেদের কাছ থেকে আরও বেশি আশা করেছিলাম।‘