চক্ষুসেবাকে আলাদা কোনো সেবা হিসেবে না দেখে একে সামগ্রিক ও সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ক্যাথলিন এ. শেরউইন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের চক্ষুসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে ক্যাথলিন এ. শেরউইন বলেন, “আপনারা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কেবল মানবিক সেবাই নিশ্চিত করেননি, বরং কক্সবাজারে এমন একটি সেবামূলক মডেল তৈরি করেছেন যা থেকে আজ পুরো বিশ্ব শিক্ষা নিতে পারে।”
এর আগে রবিবার সকালে উখিয়ার কোর্ট বাজারে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের স্থানান্তরিত ‘ভিশন সেন্টার’ উদ্বোধন করেন শেরউইন। নতুন ঠিকানায় এই সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা শরণার্থী—উভয় পক্ষের জন্যই প্রাথমিক চক্ষুসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও সহজতর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি কমিউনিটি–ভিত্তিক চক্ষুসেবা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় যাতে কেউ পিছিয়ে না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই আরআরআরসি অফিসের সর্বাত্মক সহযোগিতার কারণে স্থানীয় চক্ষু হাসপাতাল ও দুর্গম এলাকাগুলোতে সেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– অরবিস ইন্টারন্যাশনালের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার মার্ক হোয়াইট, ডিরেক্টর প্রোগ্রাম ফিনান্স উরি দিয়ালো, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবু সালেহ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ, আরআরআরসি’র স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডা. আবু তোহা এমআরএইচ ভূঁইয়া এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. মং টিং নিও।