শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান ‘কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্র‘ তাদের প্রথম নৃত্যানুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিভিন্ন বয়সী শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশনার মুখর হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্রের বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা শাস্ত্রীয়, লোকজ ও সৃজনশীল নৃত্য পরিবেশন করেন। নতুন ও অভিজ্ঞ সব স্তরের শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে দর্শকরা উপভোগ করেন এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
অনুষ্ঠানের সূচনায় পরিবেশিত হয় আলারিপ্পু , যা ভারতনাট্যম নৃত্যধারার একটি প্রথাগত উদ্বোধনী পরিবেশনা। তাল, লয়, ও অঙ্গসঞ্চালনার সমন্বয়ে এই পরিবেশনা শিল্পীদের দক্ষতা এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের সৌন্দর্যকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্র‘ পরিচালক ও নৃত্যশিল্পী বৃষ্টি বেপারী–এর পরিকল্পনা, পরিচালনা ও প্রযোজনায় সংক্ষিপ্ত নৃত্যনাট্য ‘রুদ্র–বীণা’।
ধর্ষণের শিকার নারীদের প্রতিবাদ, আত্মমর্যাদা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই প্রযোজনাটি দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে এবং উপস্থিত দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। অভিভাবক, অতিথি, সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক উপস্থিতি ও সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হয়।
কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্র পরিচালক বৃষ্টি বেপারী বলেন, “কুঞ্জলিকা সংস্কৃতি কেন্দ্রের প্রথম নৃত্যানুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং উপস্থিত দর্শকদের ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতেও আমরা আরও মানসম্মত ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে সবার সামনে উপস্থিত হতে চাই।“
মাসউদ/ এসএ