দীপ্ত নিউজ
রাজধানী

পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ নিয়ে মতপার্থক্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ নিয়ে মতপার্থক্য
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলন করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, মাঠটি ফিরিয়ে দিতে হবে কৃষি গবেষণার জন্য। সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও।

২০২২ সাল পর্যন্ত শেরেবাংলা নগরের এই বিশাল উন্মুক্ত স্থানটিতে চলত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। এরপর সেটা সরে যায় পূর্বাচলে। মাঠের অভাব থাকা রাজধানীতে এই স্থানটিকে ঘিরে বর্তমানে শুরু হয়েছে আন্দোলন।

সম্প্রতি সচিবলায় সরিয়ে নিতে মাটি পরীক্ষার কাজও করা হয়। কিন্তু তীব্র বিরোধিতার মুখে সেটিও আপাতত বন্ধ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি, একসময় এই মাঠ ছিল কৃষি গবেষণার অংশ। তাই সচিবালয় নয়, মাঠটি ফিরিয়ে দিতে হবে গবেষণার জন্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি বলছে, ১৯২০ সালে কৃষিশিক্ষার জন্য প্রায় ২৯৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরে আশির দশকে এর ২৮ দশমিক এক তিন একর জমি বাণিজ্য মেলার জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন এরশাদ সরকার। তবে মেলা পূর্বাচলে স্থানান্তরের পরও জমিটি ফেরত পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, জমির সংকটে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি গবেষণা। তাই পুরানো বাণিজ্য মেলার মাঠ গবেষণার কাজে ফিরিয়ে দিতে সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উপাচার্যের।

সরকারের দাবি, স্থপতি লুই আই কান যে মূল মাস্টারপ্ল্যান বা মহাপরিকল্পনা করেছিলেন, সেখানে সচিবালয় বা প্রশাসনিক ব্লকের জন্য জায়গা বরাদ্দ ছিল। দীর্ঘ সময় পর সেই মূল ভাবনার সঙ্গে মিল রেখে এই স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জহিরুল মোহসান/এফ‌/ দীপ্ত নিউজ