দাড়িকে নাকি পৌরুষের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার দাড়ির মাধ্যমে একজন পুরুষের ব্যক্তিত্ব ও রুচির পরিচয়ও পাওয়া যায়।
এমনকি নারীদের কাছেও পুরুষের দাড়ি একটি আকর্ষণের বস্তু। সমীক্ষা বলছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ জীবনের ৩,৩৫০ ঘণ্টা বা ১৩৯ দিন ব্যয় করেন দাড়ির পিছনে। অর্থাৎ দাড়ি কাটায় বা সুন্দরভাবে ছেঁটে রাখায়।
আবার অনেকের কাছেই এসব ঝামেলার মনে হওয়ায় দাড়ি না রেখে বড় করতে শুরু করে দেন আপন স্বাধীনতায়।
দাড়ি নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের মজার কাহিনিগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের গল্পটি সবার আগে চলে আসে। একদিন ছোট্ট এক মেয়ের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছিলেন লিংকন। চিঠিতে লেখা ছিল, “দাড়ি রাখলে আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগবে।” আর মেয়েটির সেই চিঠি পেয়েই দাড়ি রাখতে শুরু করেন লিংকন।
এখন দাড়ি ছাড়া লিংকনকে কেমন লাগবে ভেবে দেখুন তো? এতো গেলো লিংকনের কথা। দাড়ি ছাড়া কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকে যেমন ভাবা যায় না তেমনি ভাবা যায় না বাকের ভাই খ্যাত আসাদুজ্জামান নূরকে।
দাড়ির জনপ্রিয়তা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যে আরও বেড়েছে তার প্রমাণ হালের হলিউড ও বলিউড অভিনেতা কিংবা ক্রিকেটার ও ফুটবলাররা। জেসন মোমোয়া হোক বা কার্তিক আরিয়ান, লিওনেল মেসি হোক কিংবা বিরাট কোহলি সবার নিজস্ব স্টাইল ও ব্যক্তিত্বের প্রতীক তাদের দাড়ি।
আর এই দাড়ি নিয়ে হঠাৎ এত আলোচনার কারণ আজ বিশ্ব দাড়ি দিবস। অদ্ভুত শোনালেও ২০১০ সাল থেকে শুরু হয়েছে দিনটি। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম শনিবার বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়।
তবে শুধু ব্যক্তিত্ব নয়, দাড়ি রাখার উপকারিতাও কিছু কম নয়। দাড়ি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুখে প্রবেশ করা থেকে বাধা দেয়, আবার শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতেও দাড়ি উপকারী।