বল কেটে সমান ভাগ নিলেন টাং ও রবিনসন

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সমান পাঁচটি করে উইকেট শিকার করেন ইংল্যান্ডের দুই পেসার জশ টাং ও ওলি রবিনসন। এতে টেস্টের প্রথম দিন ১৭১ রানে অলআউট হয় সফরকারী পাকিস্তান।

১৮ ওভার বল করে ৫১ রানে ৫ উইকেট নেন রবিনসন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২২তম ম্যাচে পঞ্চমবারের মত ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করলেন তিনি। তবে রবিনসনের চেয়ে প্রায় অর্ধেক ওভার বল করে ৪৬ রানে ৫ উইকেট নেন টাং। ১৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখা পান তিনি।

এনিয়ে ১৬তমবারের মত টেস্টে একই ইনিংসে ইংল্যান্ডের দুই বোলার পাঁচ উইকেট শিকার করল। ২০০৬ সালে সর্বশেষ ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে এমন ঘটনা ঘটেছিল। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইনিংসের ১০ উইকেট ভাগাভাগি করেছিলেন সাইমন হার্মিসন ও মন্টি পানেসার।

টেস্টে সাধারণত যে বোলার পাঁচ উইকেট শিকার করে থাকে, ইনিংস বা ম্যাচ শেষে তার হাতেই ঐ বল তুলে দেওয়া হয়। স্মৃতি হিসেবে রেখে দেওয়া হয় বলটি। এবারও কোন ব্যতিক্রম হয়নি। টাং ও রবিনসনের হাতেই বল তুলে দেওয়া হয়েছে। বল হাতে নিয়ে একসাথে মাঠও ছাড়েন তারা।

কিন্তু এবার একটি বল দু’জন কিভাবে ভাগাভাগি করবেন!

মাঠ ছাড়ার সময় বলটি সমানভাবে দু’জনের কাছে রাখার কৌশল বের করলেন রবিনসনই। প্রথম দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বল ভাগ করার গল্প শোনালেন তিনি। রবিনসন বলেন, ‘আমরা যখন একসাথে মাঠ ছাড়ছিলাম, তখন আমি টাংকে বললাম, আমার মনে হয় এই বলটা আমাদের ভাগ করে নেওয়া উচিত। এমন কথা শুনে টাং বলল, এমনটা করলে দারুণ হবে।’

রবিনসন আরও বলেন, ‘একই ইনিংসে দু’জন বোলারের সমান পাঁচ উইকেট শিকারের ঘটনা সবসময় ঘটে না। এই বল ভাগ করা হলে মনে রাখার মতো ব্যাপার হবে।’

রবিনসনের বল ভাগ করার বিষয় নিয়ে বিবিসি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে টাং বলেন, ‘রবিনসনই প্রথম বলেছিল, বলকে মাঝখান থেকে দুই ভাগ করার কথা। এরপর মাঠকর্মীদের বল দেওয়া হয়। তারা সুন্দরভাবে বল ভাগ করে আমাদেরকে আবার দিয়েছেন। এই প্রথম ক্রিকেটে এমন ঘটনা ঘটলো। এই ঘটনা সবাই চিরদিন মনে রাখবে।’

গেল সপ্তাহে দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী রবিনসন। সপ্তাহ ঘুড়তে না ঘুড়তে ক্রিকেট মাঠে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে দারুণ খুশি রবিনসন।

তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, গত বৃহস্পতিবার রাত ২টায় দ্বিতীয়বারের মত কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছি। সত্যি বলতে, সপ্তাহটা অনেক বেশি বিশেষ হয়ে গেছে। ক্রিকেট মাঠে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্সে আজকের দিনও মধুর হয়ে গেছে। আমি জানি তারা এখানে নেই। সবাই বাড়িতে আছে। তবে আমি সারাক্ষণই আমার পরিবারের কথা ভেবেছি।’

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More