তীব্র বিরোধীতার মুখে বিশ্বকাপ স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা থেকে পিছু হঁটলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে থেমে নেই বিশ্বকাপকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা।
২০৩০ বিশ্বআসরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করার ছঁক কষছে ফিফা। প্রবল আপত্তি রয়েছে এখানেও।
২০৩০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে। উদ্বোধনী পর্যায়ে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে একটি করে ম্যাচ হবে। বাকী ম্যাচগুলো হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে। তবে ৬৪ দলের ফরম্যাট চালু হলে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ পূর্ণাঙ্গ গ্রুপ পর্ব আয়োজনের দাবিও তুলতে পারে।
তবে ৬৪টি দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন প্রস্তাবের বিরোধিতাও রয়েছে। উয়েফা সভাপতি এরইমধ্যে এটিকে খারাপ ধারণা বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, এতে বিশ্বকাপের মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং বাছাইপর্বের গুরুত্বও কমে যাবে। একই অবস্থান নিয়েছেন উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনক্যাকাফের সভাপতি। তবে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল আগেই ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছে।
বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে ফিফা। এ লক্ষ্যে একটি স্বাধীন সংস্থাকে দিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করানো হবে। গবেষণায় সম্ভাব্য টুর্নামেন্ট আয়, সম্প্রচারস্বত্ব, স্পনসরশিপ, সদস্য ফেডারেশন, মহাদেশীয় কনফেডারেশন, লিগ, ক্লাব এবং বৈশ্বিক ফুটবল কাঠামোর ওপর এর প্রভাব বিশ্লেষণ উঠে আসবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭ আগস্টের মধ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হবে। ১৪ আগস্ট চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্লেষণী প্রতিবেদন হাতে পেতে চায় ফিফা।
৬৪ দলের বিশ্বকাপ অনুমোদন পেলে টুর্নামেন্টের কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে ২০৩০ বিশ্বকাপের প্রধান আয়োজক স্পেন ও পর্তুগালের মতো স্বাগতিক দেশগুলোকেও বাছাইপর্ব খেলতে হতে পারে।