হট ফেভারিট তকমা নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু করেছিল ফ্রান্স–স্পেন। ফ্রান্সের ছিল টুর্নামেন্টে সেরা আক্রমণভাগ আর স্পেনের ছিল সেরা রক্ষণ। কিন্তু ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্পেনের গোছালো ফুটবলের সঙ্গে পেরে উঠল না ফ্রান্স।
মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে চলমান বিশ্বকাপের প্রথম সেমি–ফাইনালে ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন।
শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে স্পেন। অন্যদিকে ফ্রান্স অপেক্ষায় ছিল দ্রুত প্রতি আক্রমণের।
প্রথমার্ধে ২২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলের পর ৫৮ মিনিটে পেদ্রো পোরোর গোলে স্পেনের জয়ের ব্যবধান ২–০। অফসাইডের কারণে ৬৪ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের গোল বাতিলও হয়েছে।
রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্প্যানিশ শিবির। ফরাসিদের দম্ভ চূর্ণ করে ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতোয়ারা হয় স্পেন সমর্থকেরা।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এদিন সবদিক থেকে পিছিয়ে ছিল স্পেন। প্রথমার্ধে ফ্রান্স একটি শটও অন টার্গেটে রাখতে পারেনি। বল পজিশনেও ছিল পিছিয়ে। দুই দল মোট সমান ১০টি করে শট নেয়, যার মধ্যে স্পেনের দুটি অন টার্গেট শটের বিপরীতে ফ্রান্স নেয় তিনটি। বল পজিশনেও প্রায় সমান–সমান।
কিন্তু এই সমীকরণ ম্যাচের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। শেষ দিকে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট এবং যোগ করা সময়ের ৭ মিনিট বলের দখল ছিল ফ্রান্সের কাছে।
এর আগে, ২০১০ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিল তারা। সেবার নেদারল্যান্ডসকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল স্প্যানিশরা।
এসএ