ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের রোমাঞ্চ। তবে শেষ আটের এই অগ্নিপরীক্ষায় নামার আগে এক অদৃশ্য আতঙ্কে বুক কাঁপছে ৮ দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার।
একটি মাত্র হলুদ কার্ড দেখলেই কপাল পুড়বে তাদের। দল সেমিফাইনালে উঠলেও সাইডবেঞ্চে বসে সতীর্থদের লড়াই দেখতে হবে এই তারকাদের।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থ্রি–লায়ন্স ও মরক্কো শিবিরের।
দুদলেরই চারজন করে ফুটবলার নকআউট পর্বে ইতিমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড দেখে বসে আছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে পা মেপে চলতে হবে তাদের। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের তিনজন করে এবং স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে ফুটবলার আছেন এই খাদের কিনারায়।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের জন্য বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জোটে কপালে। ফলে শেষ ৩২ কিংবা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা ইতিমধ্যে রেফারি পকেট থেকে হলুদ কার্ড দেখেছেন, আজ কিংবা আগামীকালের ম্যাচে আবারও কার্ড খেলে তাদের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ।
তবে আশার কথা হলো, কোয়ার্টার ফাইনালের পর কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হওয়ায় কার্ডের মারপ্যাঁচে কেউ ফাইনাল মিস করবেন না। শুধু সেমিফাইনালে সরাসরি লাল কার্ড দেখলেই ফাইনালের মঞ্চে দর্শক হয়ে থাকতে হবে।
আজ ৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে শেষ আটের দ্বৈরথ। এরপর ১৪–১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পর ১৯ জুলাই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মেগাফাইনাল। এখন দেখার বিষয়, নিষেধাজ্ঞার এই ফাঁদ এড়িয়ে কারা দলকে নিয়ে যেতে পারেন শেষ চারে।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার
ইংল্যান্ড : জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস ও মার্ক গেয়ি।
মরক্কো : ইসা দিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল ও বিলাল এল খানুস।
ফ্রান্স : মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে ও ব্রাডলি বারকোলা।
সুইজারল্যান্ড : গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুহাইম।
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্টিয়েল।
স্পেন: ফেররান তোরেস।
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে।
নরওয়ে: অ্যান্তোনিও নুসা।