বাংলাদেশে বর্তমানে ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাণের জোয়ার বইলেও মানসম্মত প্রোডাকশনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নিজস্ব স্টুডিও স্থাপনের বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অনেক তরুণ উদ্যোক্তা ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যারা নতুন শুরু করছেন, তাদের পক্ষে দামি ক্যামেরা, লাইটিং বা সাউন্ড সিস্টেমের পেছনে লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করা সম্ভব হয় না। এই সংকট নিরসনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রোডাকশন স্টুডিও। এসব রেন্টাল স্টুডিও সাশ্রয়ী খরচে পেশাদার কন্টেন্ট তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছে।
তথ্যপ্রযুক্তি ও মাধ্যম বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে এখন কোয়ালিটির ওপর জোর দেয়া বাধ্যতামূলক। ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং বা ব্যবসায়িক প্রচারণার জন্য যাদের প্রফেশনাল পডকাস্ট, টক–শো বা করপোরেট ইন্টারভিউ প্রয়োজন, তারা এখন আর নিজস্ব স্টুডিওর ওপর নির্ভর না করে এসব বাণিজ্যিক স্টুডিওর দিকে ঝুঁকছেন। রাজধানীর নয়াপল্টনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক এলাকায় গড়ে ওঠা এসব স্টুডিওতে মাল্টি–ক্যামেরা সেটআপ, সিনেমাটিক লাইটিং এবং ব্রডকাস্ট মানের অডিও সিস্টেমের মতো সুবিধা থাকায় তরুণ ক্রিয়েটররা বিশাল বিনিয়োগ ছাড়াই আন্তর্জাতিক মানের ভিডিও তৈরি করতে পারছেন।
এমনই একটি উদ্যোগের উদাহরণ হিসেবে নয়াপল্টনের চায়না টাউনে অবস্থিত ‘দেশ সমাচার স্টুডিও’–এর মতো আধুনিক স্পেসগুলোর কথা বলা যায়। এখানে রেডি–টু–শুট সেটআপ থাকায় ক্রিয়েটরদের কোনো কারিগরি সরঞ্জাম বহন বা সেটআপের বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয় না। শুটিংয়ের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে ভিডিও এডিটিং ও কালার গ্রেডিংয়ের মতো পোস্ট–প্রোডাকশন সুবিধাও পাওয়া যায় একই ছাদের নিচে। ফলে একজন সৃজনশীল মানুষ শুধু তার আইডিয়া নিয়ে এসে কোনো প্রকার বিনিয়োগ ঝুঁকি ছাড়াই চূড়ান্ত কন্টেন্ট নিয়ে ফিরতে পারছেন।
দেশ সমাচার স্টুডিও কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সাশ্রয়ী খরচে আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এখানে ভিডিও এডিটিং, কালার গ্রেডিং এবং পোস্ট–প্রোডাকশনের সুবিধাও রয়েছে, যার ফলে আইডিয়া থেকে চূড়ান্ত আউটপুট পর্যন্ত সব সেবা মিলছে এক ছাদের নিচে। যেকোনো প্রোডাকশন বা বুকিংয়ের জন্য আগ্রহীগণ ০১৭২০২১০৬৫৭ নম্বরে কল করতে পারেন অথবা studio.deshshamachar.com ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ facebook.com/deshshamacharstudio ভিজিট করতে পারেন।