মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬
মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬

বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে বড় ভাইয়ের পর চলে গেলেন ছোট ভাই

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতে ইসলামীর নেতা মফিজুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সংঘর্ষে নিহত তার বড় ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ছিলেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জীবননগর পৌর জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আমির আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার। তিনি জানান, ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মফিজুর রহমান মারা যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে পূর্ব বিরোধের জেরে বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান এবং তার ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে হাফিজুর রহমান মারা যান। অপরদিকে গুরুতর আহত মফিজুর রহমান ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় টানা ১০ দিন লড়াই করে মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান।

এদিকে জামায়াতকর্মী ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮৯ জনকে আসামি করে জীবননগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর জীবননগর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট যৌথ অভিযানে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসান, তার বাবা বিএনপি কর্মী জসিম উদ্দিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান শেখ বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মফিজুর রহমান মারা গেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তার বড় ভাইয়ের হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More