চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে মালয়েশিয়া প্রবাসীর বসতবাড়ি এস্কেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে প্রথম স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা এ ভাঙচুর চালান।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
গ্রামবাসী জানান, প্রায় চার বছর আগে একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সোনিয়া খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। পরে দাম্পত্য জীবনে টানাপড়েন দেখা দিলে রফিকুল সোনিয়াকে তালাক দেন। এরপর তিনি স্থানীয় মুকুল হোসেনের মেয়েকে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকদিন আগে রফিকুল গোপনে প্রথম স্ত্রী সোনিয়াকে আবার বিয়ে করেন এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান। বিষয়টি জানতে পেরে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে রবিবার সকালে রফিকুলের বাড়িতে গিয়ে ভেকু দিয়ে বসতঘর ভেঙে ফেলেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ি ভাঙার দৃশ্য দেখেছেন বলে জানান স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দীন। তিনি বলেন, যদি প্রতারণার অভিযোগ থেকেও থাকে, তাহলে আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত ছিল। নিজ উদ্যোগে বাড়িঘর ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রফিকুলের শ্বশুর মুকুল হোসেন দাবি করেন, তার মেয়েকে বিয়ের সময় রফিকুল জানিয়েছিলেন যে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। কিন্তু পরে গোপনে আগের স্ত্রীকে আবার বিয়ে করে বিদেশে নিয়ে যাওয়ায় তার মেয়ের জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।