বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
UPCOMING
FIFA 2026 24H Window

FIXTURES

MATCH -- VENUE -
- - -
VS
- - -
KICK OFF:
Processing...
বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক

দেশব্যাপী একযোগে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬২৭’ উদযাপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬২৭’ উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

 

তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মারক ডাকটিকিট এবং ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬২৭’এর লোগো উন্মোচন করেন।

 

এ সময় সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের নজরুল গবেষক, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।


পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে ধারন করেছে। মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারী তিনি। দেশের সব আন্দোলনসংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নজরুল প্রাসঙ্গিক।

 

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির বর্তমান বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কাজী নজরুলের আমি হবো সকাল বেলার পাখিঅথবা থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরেএ ধরনের কবিতা প্রজন্মের কাছে আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে।

 

তিনি বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার কবিতা ও গান যেমন ছিল অনুপ্রেরণার প্রবল উৎস ছিল তেমনই আমাদের সকল আন্দোলনসংগ্রামে তাঁর সৃষ্টিশীলতাই হয়ে ওঠে প্রতিবাদ প্রতিরোধের মূল ভাষা। তিনি আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ।

 

নজরুল বর্ষউদযাপনের লক্ষ্যে আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনেক সরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত রয়েছেন। বেশ কয়েকজন নজরুল গবেষক এবং নজরুল সংগীত শিল্পীগণও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন। আপনাদের অভিনন্দন। তবে একটি আধুনিক আবদ্ধ ঘরে বসে আজ যেভাবে নজরুল বর্ষউপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করছি, স্মারক ডাক টিকেট এবং লোগো উন্মোচন করছি, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিকে আমি একটু ভিন্নভাবেই আশা করেছিলাম।

আজকের এ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এবং নির্বাচিত ৭৪টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবেন। এর পরিবর্তে আমন্ত্রণ পত্রে যদি লেখা থাকতো সকল বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে নজরুল গবেষক, নজরুল শিল্পী, নজরুলপ্রেমীগণ ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবেন সেটি বরং বেশি যৌক্তিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ হতো বলে আমার বিশ্বাস বলেও মনে করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, প্রতিটি রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্ম নেন, যারা আমাদের আর্থসামাজিক রাজনৈতিক জীবন কিংবা আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতি সামাজিক মূল্যবোধ আমাদের সামাজিক দর্শন আমাদের মনোজগতে প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। জাতীয় কবি তেমনই একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কৈশোর থেকে পরিণত বয়স, আমাদের জীবনের সকল পর্যায়েই তাঁর প্রভাব অপরিসীম।

 

এ সময় অপশক্তি বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালালেও ঐক্যবদ্ধ থাকাই চিরায়ত বাঙালির চরিত্রএ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয় কোনো প্রাণীও যেন হিংস্রতার শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

এর আগে রবিবার (২১ জুন) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণার পর সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ ঘোষণা আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আর তা চলতি বছরের ২৫ মে থেকে কার্যকর হবে। গত ২৫ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এ বছরের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত একবছর নজরুল বর্ষ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More