শিরোনাম
প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে বিশেষ আদালত, চালু হবে প্রবাসী কার্ড বাংলাদেশের ‘জয় কেড়ে’ নিলো আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকারের নিন্দা আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টানা ছুটিতে বান্দরবানের হোটেলে আগাম বুকিংয়ের হিড়িক ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জার্মান পর্যটকের উদ্ধার ল্যাপটপ হস্তান্তর করেছে পুলিশ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আ. লীগের বিচার দাবি এনসিপির ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে: আইনমন্ত্রী মেসির চোখে সেরা ১০ উদীয়মান খেলোয়াড়
দীপ্ত নিউজ
বাংলাদেশ

দেশের ১৫৩ ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা

Deepto News : দীপ্ত নিউজ
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
দেশের ১৫৩ ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা

সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনা ও জলাধার সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে দেশের চার জেলার ১৫৩ ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭ অনুযায়ী যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষানিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব এলাকা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পানি সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

দেশের উত্তর–পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়নকে ‘অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন’, ৪০টি ইউনিয়নকে ‘উচ্চ পানি সংকটাপন্ন’ এবং ৬৬টি ইউনিয়নকে ‘মধ্যম পানি সংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভার পাঁচটি মৌজা অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং তিনটি মৌজা উচ্চ পানি সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একই উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের সাতটি মৌজা অতি উচ্চ, নয়টি ইউনিয়নের ২৭টি মৌজা উচ্চ এবং আটটি ইউনিয়নের ৩০টি মৌজা মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

এ সকল এলাকায় কঠোরভাবে কিছু নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • খাবার পানি ছাড়া অন্য কোনো কারণে নতুন নলকূপ স্থাপন বা ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিষিদ্ধ,
  • বিদ্যমান নলকূপ থেকেও শুধুমাত্র খাবার পানির জন্য পানি উত্তোলনের অনুমতি থাকবে,
  • ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর কোনো শিল্প বা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৯ অনুযায়ী তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।