ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে কাল শুরু হচ্ছে বাাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়ার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঐতিহাসিক এই ম্যাচের আগে দুই দলের প্রস্তুতি, কন্ডিশন ও সম্ভাব্য ম্যাচের দৈর্ঘ্য নিয়ে কথা বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি তিন দিনে শেষ হবে, নাকি গড়াবে পুরো পাঁচ দিন? এমন প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাননি তিনি। কামিন্সের কাছে টেস্টের ফলাফল বা স্থায়িত্ব আগেভাগে অনুমান করা কঠিন। তাই তিনদিনের ম্যাচ হবে নাকি পাঁচদিনের, এমন প্রশ্নে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘কে জানে!’
তবে বাংলাদেশকে সহজ প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না কামিন্স। বরং অজানা চ্যালেঞ্জও দেখছেন তিনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বড় কিছু জয়ও তার নজরে রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমি কখনো সহজ কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলেছি। তাই নিশ্চিতভাবেই তারা শক্তিশালী হবে। তাদের কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমরা আগে খুব বেশি দেখিনি, ফলে টেস্ট ম্যাচে নামার আগে কিছুটা অজানা ব্যাপার থাকবেই। তবে গত কয়েক বছরে তারা বড় কিছু জয় পেয়েছে এবং দলে বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিভা আছে। তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে এসেছে—এমন পরিস্থিতি আরও নিয়মিত হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি, ‘আমরা তাদের কয়েকবার খেলেছি, অবশ্যই আইসিসির ইভেন্টে এবং বাংলাদেশেও। কিন্তু এখানে এত বেশি খেলিনি। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের খেলতে পারাটা দারুণ। আমি চাই এমনটা আরও বেশি হোক। টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সৌন্দর্য হলো, আপনি বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলেন। প্রতিবারই চ্যালেঞ্জটা আলাদা। প্রত্যেক দল একটু ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট খেলে। তাই হ্যাঁ, আমি অবশ্যই আরও বেশি খেলতে চাই।’
বাংলাদেশের দলকে ঠিক কতটা শক্তিশালী মনে করছেন—এমন প্রশ্নে কামিন্স বলেন, ‘নিশ্চিত নই। হয়তো কয়েক সপ্তাহ পর আমাকে জিজ্ঞেস করলে আরও ভালো কিছু বলতে পারব। তবে আইসিসির কোনো ইভেন্টে তাদের বিপক্ষে খেলতে নামলে আপনি বেশ নার্ভাস থাকেন, কারণ তাদের দলে বড় কিছু খেলোয়াড় আছে।’