রবিবার, জুন ৭, ২০২৬
রবিবার, জুন ৭, ২০২৬

ডেঙ্গু: রাজধানীর ২৭টি ওয়ার্ড ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে এডিস মশার ঘনত্ব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতেই নির্ধারিত সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে এডিস মশার ঘনত্ব। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর জন্য ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নগর ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বর্ষাপূর্ব এডিস মশার লার্ভা জরিপের ফলাফল প্রকাশ ও কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন কর্মীর মাধ্যমে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত জরিপটি পরিচালিত হয়। আধুনিক ‘কবো টুলবক্স’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, পরিদর্শন করা বাড়িগুলোর মধ্যে ২৮১টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে।

লার্ভার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে (৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ)। এরপর রয়েছে স্বতন্ত্র বাড়ি (২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ), নির্মাণাধীন ভবন (১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ) এবং সেমিপাকা বাড়ি (১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ)

এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মেঝেতে জমে থাকা পানি (১২ দশমিক ২৬ শতাংশ)। এছাড়া ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বালতি এবং প্লাস্টিক ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, জরিপ ফলাফলের ভিত্তিতে ৭ জুন থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে ৫ দিনব্যাপী বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালানো হবে।

আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘শুধু সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ জন্য নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাসাবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্রতি ৩ দিন অন্তর জমে থাকা পানি অপসারণের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

 

এসএ

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More