শিরোনাম
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে এনআইডি সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি গাজীপুরে পোশাক কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ারের ৮ ইউনিট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া দ্বিগুণ ক্ষতিকর: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই, থাকছে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ আল-আকসা মসজিদের খতিবকে তুলে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী এবার স্প্যানিশ ‘নোবেল’ জিতলেন মেসি বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম দেওয়ায় মারধর, ৯ দিন পর অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি
দীপ্ত নিউজ
চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গায়েব ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গায়েব ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার
চট্টগ্রাম বন্দর।

চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তর থেকে ৩ কোটি টাকার কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনার গায়েবের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঘটনাটি জানাজানি হলে বন্দরজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি–২ বার্থে কনটেইনার খালাস করে ‌‘এমভি এমসিসি ডানাং‘। ওই জাহাজে ৪০ ফুট এফসিএল কনটেইনারে (কন্টেইনার নং– এমআরএসইউ–৮৬৯২৮২৭) আসে সাভার জেলার রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেড–এর ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স (কাপড়ের রোল)।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, আমদানিকারকের পক্ষে সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান এস আর এস সিন্ডিকেট পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভারে গত ২২ আগস্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। পরে কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের রাজস্ব পরিশোধ করে ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ তা ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়।

গত ২ সেপ্টেম্বর, বন্দর চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান এস আর এস সিন্ডিকেটের স্বত্ত্বাধীকারী মো. হাফিজুর রহমানের এক অভিযোগ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৩০ আগস্ট কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলে বন্দর কর্তৃপক্ষ গোল্ড স্টার গার্মেন্টেসের আমদানিকৃত কাপড়ের রোলভর্তি কনটেইনারটি কিপডাউন দিতে পারেননি।

এরপর কয়েকদিন খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বন্দর চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান।

সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান এস আর এস সিন্ডিকেটের স্বত্ত্বাধীকারী মো. হাফিজুর রহমান সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বলেন, ‘আমরা কাস্টমস ও বন্দরের যাবতীয় চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলে তা পাওয়া যায়নি। আজ ১ সপ্তাহের বেশি হয়ে গেছে। কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার কাপড় ছিল।

তিনি বলেন, এখন নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পেয়ে আমাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও বিপাকে পড়েছে। তারা নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি পণ্য বায়ারের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমাদের অভিযোগের পর শুনেছি বন্দর কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কনটেইনারটির কোন হদিস দিতে পারছে না।’

এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে ক্ষুদে বার্তা দিলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সাড়া দেননি।

তথ্য: জাগো নিউজ

 

এসএ

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।