শিরোনাম
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীকাল স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরছে সুপ্রিম কোর্ট ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’—লিখে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫‘ওয়ালটন হাউজফুল অফার’-এ পণ্য ক্রয়ে ঘরভর্তি ফ্রি পণ্যসহ বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ স্বামীর ‘আলিঙ্গনে’ ভাঙল স্ত্রীর পাঁজরের ৫ হাড়, ভিডিও ভাইরাল ১১ বছর পর মাঠে ফিরছেন রোনালদিনহো ডিএসসিসি প্রশাসক.রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা, মালামাল ক্রোক ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৯৮ ১৫ বছর ধরে প্রতিদিন স্ত্রীর কবর পরিষ্কার করেন মওলা বক্স হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু
দীপ্ত নিউজ
খেলা

গোল-অ্যাসিস্ট ছাড়াই কীভাবে গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ:
গোল-অ্যাসিস্ট ছাড়াই কীভাবে গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি?
রদ্রি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে স্পেন। এই সাফল্যে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন দলের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা রদ্রি। গোল কিংবা অ্যাসিস্টের ঝলক না থাকলেও পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ খেলার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি জিতে নিয়েছেন আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’।

তবে পুরো টুর্নামেন্টে কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট নেই তার। ফলে তাকে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেওয়া নিয়ে অনেকেই আলোচনা–সমালোচনা করছেন। আসলেই কি তিনি গোল্ডেন বল পাওয়ার যোগ্য?

একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রির মূল দায়িত্ব গোলের হিসাব মেলানো নয়, বরং খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা। ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনের মাঝমাঠকে সুতোয় বেঁধে রেখেছিলেন। বলের দখল রাখা, রক্ষণভাগ থেকে আক্রমণে ওঠার সংযোগ তৈরি করা এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তা নস্যাৎ করে দেওয়ায় রদ্রি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। স্পেনের রক্ষণভাগ যে পুরো বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল হজম করেছে, তার পেছনে রদ্রির রক্ষণাত্মক দক্ষতার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।

রদ্রির শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ মেলে পরিসংখ্যানের পাতায়। টুর্নামেন্টের ৮ ম্যাচে তিনি সফল পাস দিয়েছেন ৬৫০টিরও বেশি। মাঠে তার দৌড়ের পরিধি এবং উচ্চগতির দৌড়ের সংখ্যা ছিল অন্য সবার চেয়ে আলাদা। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের কৌশলগত পরিকল্পনার মূল ভিত্তি ছিলেন রদ্রি। দলের প্রতিটি আক্রমণ বা রক্ষণাত্মক জমাট বাঁধার মুহূর্তে তিনি ছিলেন এক অবিচল স্তম্ভ।

কেন মেসিকেও পেছনে ফেললেন রদ্রি?

ফাইনালে হেরে যাওয়া আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৮টি গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট করেও গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে হেরেছেন রদ্রির কাছে।

টুর্নামেন্টে আটটি ম্যাচ খেলে রদ্রি ৬৫০টির বেশি সফল পাস দিয়েছেন। পাশাপাশি উচ্চগতির দৌড় বা হাই–ইনটেনসিটি রানের সংখ্যাতেও তিনি ছিলেন সবার ওপরে। এসব পরিসংখ্যানই স্পেনের খেলায় তার গুরুত্ব তুলে ধরে।

ফিফা শুধু ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান বা গোল–অ্যাসিস্ট দেখে সেরা নির্বাচন করে না। একজন ফুটবলারের খেলার সামগ্রিক প্রভাব, দলের প্রতি অবদান, ধারাবাহিকতা এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। রদ্রি টুর্নামেন্টজুড়ে যে অসামান্য ভারসাম্য এবং দলগত শৃঙ্খলা বজায় রেখেছেন, সেটিই তাকে সবকিছুর উর্ধ্বে জায়গা করে দিয়েছে।

এই সংবাদে মন্তব্য গ্রহণ বন্ধ আছে।