শিরোনাম
প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে বিশেষ আদালত, চালু হবে প্রবাসী কার্ড বাংলাদেশের ‘জয় কেড়ে’ নিলো আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকারের নিন্দা আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টানা ছুটিতে বান্দরবানের হোটেলে আগাম বুকিংয়ের হিড়িক ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জার্মান পর্যটকের উদ্ধার ল্যাপটপ হস্তান্তর করেছে পুলিশ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আ. লীগের বিচার দাবি এনসিপির ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে: আইনমন্ত্রী মেসির চোখে সেরা ১০ উদীয়মান খেলোয়াড়
দীপ্ত নিউজ
জাতীয়

গুম ও হাওর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন

Deepto News : দীপ্ত নিউজ
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
গুম ও হাওর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় তা জানানো হয়েছে। বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন এবং সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে বাংলাদেশের নতুন একটি দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর গুম হওয়া ব্যক্তি অন্যূন ৫ বছর ধরে গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে ট্রাইব্যুন্যাল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিসাপিয়ার্ড’ বা ‘গুম’ ঘোষণা করতে পারবে।

সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল’–এর জন্য মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে পারবে। ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ট্রাইব্যুনাল আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন এবং গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা তার ওপর নির্ভরশীল পরিবারের কোনো সদস্য কমিশনের পুর্বানুমতি ব্যাতিরেকে গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন।

এদিকে বাংলাদেশ হাওড় ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব, কর্তৃত্ব ও অধিক্ষেত্র সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। হাওর ও জলাভূমি এলাকার জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের লক্ষ্যে সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারির বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি, হাওর ও জলাভূমি এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত হাওর ও জলাভূমি এলাকা ঘোষণা করার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া হাওর ও জলাভূমি এলাকায় নিষিদ্ধ কার্যক্রমের বিবরণ প্রদান, নিষিদ্ধ কার্যক্রম সংঘটিত হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং উক্ত অপরাধের জন্য আরোপনীয় দণ্ডের বিধান করা হয়েছে।