শিরোনাম
ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর তিন জেলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে যেসব কাজ করা যাবে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে ১৩ নির্দেশনা ফায়ার সার্ভিসের বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী আসছেন মঙ্গলবার, ব্যাপক প্রস্তুতি ডেঙ্গুতে একদিনে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দীপ্ত নিউজ
আন্তর্জাতিক

ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জাপান

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জাপান
আম

দীর্ঘ ২ দশক পর আবারও ভারত থেকে আম আমদানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জাপান। 

চলতি বছরের শুরুতে জাপানি কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা ভারতীয় আম প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে কীটনিয়ন্ত্রণ ও জীবাণুমুক্তকরণ পদ্ধতিতে ত্রুটি ত্রুটি খুঁজে পান। এর পরপরই জাপানের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এতে আলফোনসো, কেসর, ল্যাংড়া ও ভাঙ্গানাপাল্লীর মতো প্রিমিয়াম জাতের আম রপ্তানি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। যা চলতি গ্রীষ্মকালীন আম মৌসুমে দেশটির সামগ্রিক বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, প্রায় দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম ভারতীয় আমের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করল জাপান। এর আগে ফলমাছির (ফ্রুট ফ্লাই) ঝুঁকির কারণে ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল দেশটি। পরে ভারত কীটনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করলে ২০০৬ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

মূলত প্রতি বছর আম রপ্তানি মৌসুম শুরুর আগে জাপান তাদের কোয়ারেন্টিন কর্মকর্তাদের ভারতে পাঠায়। তারা ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন। রপ্তানির আগে এসব কেন্দ্রে আম জীবাণুমুক্ত ও কীটমুক্ত করা হয়।

ভিএইচটি একটি রাসায়নিকবিহীন পদ্ধতি। এতে নিয়ন্ত্রিত গরম ও আর্দ্র বাতাসের মধ্যে আম রাখা হয়, যাতে ফলমাছি ও এর লার্ভা ধ্বংস হয়ে যায়। দুই দেশের রপ্তানি চুক্তি অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক। চলতি বছরের মার্চ মাসে উত্তর প্রদেশের রহমানপুরে অবস্থিত একটি ভিএইচটি কেন্দ্রে পরিদর্শন চালান জাপানি কর্মকর্তারা।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে ধোঁয়া প্রয়োগ (ফিউমিগেশন) ও জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ঘাটতি ধরা পড়ে। তবে ঠিক কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি পাওয়া গেছে, তা ভারত বা জাপানের কোনও কর্তৃপক্ষই প্রকাশ করেনি।

পরিদর্শনের পর জাপানের ইয়োকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা দেয়, চলতি বছরের ২৫ মার্চের পর ইস্যু করা পরিদর্শন সনদযুক্ত ভারতীয় আমের চালান আর গ্রহণ করা হবে না।

অবশ্য জাপান ভারতীয় আমের সবচেয়ে বড় বাজার নয়। তবুও রপ্তানিকারকদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা ভারতের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করে ভারত।

 

এসএ