সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণেই একের পর এক অগ্নিকাণ্ড ঘটছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভবন মালিকসহ ব্যবসায়ীরা দায় এড়াতে পারেন না বলে জানিয়ে তারা বলছেন, দ্রুত ইমারত নির্মাণ আইন বাস্তবায়ন জরুরি।
বঙ্গবাজার ও নিউমার্কেট পুড়ার পর রবিবার (১৬ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাজধানীর ৫৮টি মার্কেট ও শপিং মল অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ। যার মধ্যে নয়টি অতিঝুঁকিপূর্ণ। এ তালিকায় আছে গাউসিয়া মার্কেটের নামও। কিন্তু ভবনটি অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ মানতে নারাজ ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ দোকান মালিক সমিতি, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, গাউসিয়া মার্কেট অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ না। রাজউুকের আদেশ বলে বুয়েটের কতৃতে ১০০শ বছরের জন্য সার্টিফিকেট দেয়া আছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না দোকান ও ভবনমালিকসহ ব্যবসায়ীরা।
আরবান সেইফটি বুয়েট–জাপান ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার প্রিভেনশন অ্যান্ড পরিচালক অধ্যাপক মেহেদি আহম্মদ আনসারী বলেন, গাউসিয়া মার্কেট গনবসতি এলাকা দোকান ও ভবনমালিকসহ ব্যবসায়ীরা যতটুকু ব্যবস্থা নেয়া উচিত ছিল তারা সেটা নেয়নি। আরো টাকা বেশি ইনকামের জন্য যেটা করেছে ২ হাজার দোকানের জায়গায় ৪ হাজার দোকান করে রেখেছে।সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকেও দায়ী করছেন তিনি।
ইমারত নির্মাণ বিধিমালাসহ আইনের দ্রুত প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের দাবি বিশেষজ্ঞদের। সরকারসহ ব্যবসায়ীরা একযোগে দ্রুত উদ্যোগী হলে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ সম্ভব বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
যূথী/দীপ্ত সংবাদ