শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী– বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদ স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাদের স্ত্রী–সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন। অথচ তার ভেতরেই লুকিয়ে থাকত গুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার হিংস্র মনোভাব।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলার লালমোহন উপজেলা অডিটোরিয়ামে নাগরিক সমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের শেখ হাসিনা আশ্বস্ত করতেন, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তিনি নিজেই জানতেন, আসলে গুম হওয়া ব্যক্তিরা কোথায় আছেন। তার এসব আচরণ ও অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন। জনগণ তখন বুঝতে পারেনি। এখন জনগণের কাছে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্য–প্রমাণের ভিত্তিতে এখন জনগণের কাছে প্রমাণ হয়ে গেছে, শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী এবং নিজেই ছিলেন গুমের নির্দেশদাতা।
তিনি আরও বলেন একজন ব্যারিস্টারকে ৮ বছর হাতকড়া পরিয়ে আয়নাঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে। কত বড় নির্মম ও জঘন্যতম কাজ করা হয়েছে তার সঙ্গে। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি মুক্ত হয়ে এখন সংসদ সদস্য হয়েছেন।
মেজর হাফিজ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে একটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। একটি পর্দার দাম ধরা হয়েছে ৪২ হাজার টাকা। তখনকার একজন ভূমি প্রতিমন্ত্রীর লন্ডনে ৩৬০টি বাড়ি রয়েছে। সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল পঞ্চায়েত, পৌর বিএনপি সভাপতি ছাদেক জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদল সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার প্রমুখ।
এসএ