
পটুয়াখালীতে লবণাক্ত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে শরিফা ফলের চাষ

লবণাক্ত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে শরিফা ফল আবাদ করে সাড়া ফেলেছেন উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর চাষীরা। একটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি পর্যন্ত ফল আসে, তাই দিন দিন বাড়ছে শরিফা ফলের আবাদ।
দেশীয় ফল শরিফা অত্যন্ত সুস্বাদু, মিষ্টি ও পুষ্টিকর। কম খরচ ও কম পরিচর্যাতেই সব ধরনের মাটিতে শরিফা ফল চাষ করা যায়, তাই পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় দিন দিন বাড়ছে শরিফা ফলের আবাদ।
জেলার ধুলাসার ইউনিয়নের চর গঙ্গামতি গ্রামের কৃষক এমাদুল ইসলাম প্রায় চার বছর আগে নিজ বাড়ির দুই বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ২৫০টি শরিফা গাছের চারা রোপণ করেন। মাত্র দুই বছর পরেই গাছ থেকে ফল আসতে শুরু করে।
এমাদুল ইসলাম বলেন, “অন্যান্য গাছের চেয়ে আমি শরিফা গাছ লাগিয়ে বেশি লাভবান হয়েছি। এ বছর তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকার শরিফা বিক্রি করেছি।“
শুধু এমাদুল ইসলামই নন, কুয়াকাটা সৈকতসংলগ্ন লবণাক্ত জমিতে ওই গ্রামের অন্তত দুই শতাধিক কৃষক সুমিষ্ট এই ফল চাষ করছেন।
আরেকজন কৃষক বলেন, “সার লাগে না, কোনো কীটনাশক লাগে না, কোনো গরু–ছাগলেও খায় না, কিন্তু শরিফা গাছ লাগিয়ে আমরা অনেক লাভবান হয়েছি।“
পটুয়াখালী জেলার প্রায় ১৫ হেক্টর লবণাক্ত জমিতে দুই শতাধিক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন শরিফা ফল।
২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বাগান থেকেই পাইকাররা সরাসরি ক্রয় করছেন শরিফা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এই ফল পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।








