শিরোনাম
প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে বিশেষ আদালত, চালু হবে প্রবাসী কার্ড বাংলাদেশের ‘জয় কেড়ে’ নিলো আফগানিস্তান যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকারের নিন্দা আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টানা ছুটিতে বান্দরবানের হোটেলে আগাম বুকিংয়ের হিড়িক ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জার্মান পর্যটকের উদ্ধার ল্যাপটপ হস্তান্তর করেছে পুলিশ ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আ. লীগের বিচার দাবি এনসিপির ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে: আইনমন্ত্রী মেসির চোখে সেরা ১০ উদীয়মান খেলোয়াড়
দীপ্ত নিউজ
রাজনীতি

ঐচ্ছিক তহবিলের তালিকায় দুইবার জামায়াত এমপির মেয়ের নাম

Deepto News : দীপ্ত নিউজ
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
ঐচ্ছিক তহবিলের তালিকায় দুইবার জামায়াত এমপির মেয়ের নাম
জামায়াতের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু)

নড়াইল–২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু) ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান পাওয়ার তালিকায় তার নিজের মেয়ের নাম দুইবার আসার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে সংসদ সদস্য এই ঘটনার জন্য নিজের ব্যক্তিগত সচিবকে (পিএস) দায়ী করেছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ের অনুদান মঞ্জুরির একটি চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ওই চিঠিতে এমপির ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ২১ জনের অনুকূলে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই তালিকার ১ ও ৮ নম্বরে ‘ফাইজা’ নামের একজনের নাম রয়েছে, যিনি এমপির মেয়ে। দুটি নামের পাশে বাবার নাম হিসেবে যথাক্রমে ‘মো. বাচ্চু’ ও ‘মো. আতাউর’ লিখে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় থাকা সদর উপজেলার ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এমপির নিজের ইউনিয়ন (হবখালী) এবং লোহাগড়া উপজেলার ১১ জনের মধ্যে ৭ জন তার শ্বশুরবাড়ি লাহুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে নড়াইল জেলা পরিষদে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান ওই তালিকার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন, এই তালিকাটি তিনি করেননি, করেছেন তার পিএস।

এমপি বলেন, “আমি তখন নড়াইলে ছিলাম না। ঢাকায় আমার স্বাক্ষরিত প্যাড পিএসের কাছে ছিল। সচিবালয় থেকে একটি তালিকা চাওয়ায় সে তার চেনাজানা লোকদের দিয়ে একটি তালিকা জমা দিয়েছে। সে কারণেই তালিকায় আমার পরিবার ও এলাকার লোক বেশি এসেছে।”

টাকা আসার খবরও জানতেন না দাবি করে তিনি আরও বলেন, “শুক্রবার ফেসবুকে বিষয়টি দেখার পর ইউএনওকে ফোন করে জানতে পারি যে টাকা চলে এসেছে। আমি এমন নই যে সন্তানের নাম দিয়ে ১০ হাজার টাকা নিতে হবে। আমি প্রকৃত প্রাপকদের একটি নতুন তালিকা ইউএনওকে দিয়ে দেব, সে অনুযায়ী বিতরণ করা হবে।”

তবে তালিকা পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি এম রাহসিন কবির। তিনি জানান, এমপির চাহিদাপত্র অনুযায়ী সচিবালয় থেকে যাঁদের নামে বরাদ্দ হয়ে এসেছে, নীতিমালা অনুযায়ী তাঁদেরই অনুদানের টাকা দিতে হবে। এর বাইরে কাউকে দেওয়ার বা স্থানীয়ভাবে নতুন তালিকা করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ টাকা নিতে না এলে তা ফেরত যাবে। তালিকা সংশোধন করতে হলে তা সচিবালয় থেকেই করে আনতে হবে।