শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঐচ্ছিক তহবিলের তালিকায় দুইবার জামায়াত এমপির মেয়ের নাম

Avatar photoদীপ্ত নিউজ ডেস্ক
জামায়াতের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু) ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান পাওয়ার তালিকায় তার নিজের মেয়ের নাম দুইবার।

নড়াইল(সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু) ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদান পাওয়ার তালিকায় তার নিজের মেয়ের নাম দুইবার আসার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে সংসদ সদস্য এই ঘটনার জন্য নিজের ব্যক্তিগত সচিবকে (পিএস) দায়ী করেছেন।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ের অনুদান মঞ্জুরির একটি চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৫২৬ অর্থবছরের ওই চিঠিতে এমপির ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ২১ জনের অনুকূলে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই তালিকার ১ ও ৮ নম্বরে ‘ফাইজা’ নামের একজনের নাম রয়েছে, যিনি এমপির মেয়ে। দুটি নামের পাশে বাবার নাম হিসেবে যথাক্রমে ‘মো. বাচ্চু’ ও ‘মো. আতাউর’ লিখে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, তালিকায় থাকা সদর উপজেলার ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই এমপির নিজের ইউনিয়ন (হবখালী) এবং লোহাগড়া উপজেলার ১১ জনের মধ্যে ৭ জন তার শ্বশুরবাড়ি লাহুড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে নড়াইল জেলা পরিষদে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান ওই তালিকার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে তিনি দাবি করেন, এই তালিকাটি তিনি করেননি, করেছেন তার পিএস।

এমপি বলেন, “আমি তখন নড়াইলে ছিলাম না। ঢাকায় আমার স্বাক্ষরিত প্যাড পিএসের কাছে ছিল। সচিবালয় থেকে একটি তালিকা চাওয়ায় সে তার চেনাজানা লোকদের দিয়ে একটি তালিকা জমা দিয়েছে। সে কারণেই তালিকায় আমার পরিবার ও এলাকার লোক বেশি এসেছে।”

টাকা আসার খবরও জানতেন না দাবি করে তিনি আরও বলেন, “শুক্রবার ফেসবুকে বিষয়টি দেখার পর ইউএনওকে ফোন করে জানতে পারি যে টাকা চলে এসেছে। আমি এমন নই যে সন্তানের নাম দিয়ে ১০ হাজার টাকা নিতে হবে। আমি প্রকৃত প্রাপকদের একটি নতুন তালিকা ইউএনওকে দিয়ে দেব, সে অনুযায়ী বিতরণ করা হবে।”

তবে তালিকা পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) টি এম রাহসিন কবির। তিনি জানান, এমপির চাহিদাপত্র অনুযায়ী সচিবালয় থেকে যাঁদের নামে বরাদ্দ হয়ে এসেছে, নীতিমালা অনুযায়ী তাঁদেরই অনুদানের টাকা দিতে হবে। এর বাইরে কাউকে দেওয়ার বা স্থানীয়ভাবে নতুন তালিকা করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ টাকা নিতে না এলে তা ফেরত যাবে। তালিকা সংশোধন করতে হলে তা সচিবালয় থেকেই করে আনতে হবে।

আরও পড়ুন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More