শিরোনাম
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে নেই বড় দুই তারকা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সৌদিগামী ৮৯ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৪ হাজার যাত্রী মার্কিন নির্বাচনের আগে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে হুতিরা: ট্রাম্প ৪৫তম বিসিএস৩২১ দিনেও গেজেট হয়নি, অনিশ্চয়তায় ১৮০৭ সুপারিশপ্রাপ্তরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ৯ নভেম্বর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির এলপিজি ব্যবসায়ীদের দু’দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার হামের উপসর্গে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৩২৭
দীপ্ত নিউজ
ক্যাম্পাস

ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন সাবেক শিক্ষার্থী

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক
দীপ্ত নিউজ ডেস্কপ্রকাশ :
ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন সাবেক শিক্ষার্থী
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় টাঙানো পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আবু তৈয়ব হাবিলদার।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর প্রদর্শিত ছবি ছিঁড়ে ফেলেন। 

পরবর্তীতে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে জিন্নাহর ছবি নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ‘যে জিন্নাহ আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তাঁকে ডাকসু সংগ্রহশালায় স্থান দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসন ও ডাকসু নেতাদের জবাব দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখানে ভাষা আন্দোলনের নায়ক আবুল কাসেম, শেখ মুজিবুর রহমান ও মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের ছবি থাকা উচিত।’

জানা গেছে, আবু তৈয়ব হাবিলদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১–০২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি সর্বশেষ ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

এর আগে, সংস্কার শেষে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সংগ্রহশালা চালু করে ডাকসু। সেখানে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আলোচিত ৩টি ছবি যুক্ত করা হয়।

এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালে ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’। এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

 

এসএ