দ্রুত নগরায়ণ, জলবায়ু ঝুঁকি ও বৈষম্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদ্যমান নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নগর বিশেষজ্ঞ, সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়ন সহযোগিরা।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘৯ম আরবান ডায়ালগ ২০২৬’–এ বক্তারা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই নগর গড়তে নীতিমালাকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসকে উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করা জরুরি। তিনি জানান, নগর দুর্যোগ মোকাবিলায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৫০ হাজার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
মূল প্রবন্ধে ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, দেশের ৩৫ শতাংশের বেশি মানুষ নগরে বাস করলেও অবকাঠামোগত ঘাটতি, অপর্যাপ্ত সেবা ও বৈষম্য টেকসই নগর উন্নয়নের বড় বাধা।
সংলাপ শেষে গৃহীত ১৬ দফা ঘোষণায় জাতীয় নগর নীতি ২০২৫, স্পেশাল প্ল্যানিং অ্যাক্ট ২০২৬ এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩–২০৫০) দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা এবং জলবায়ু–স্মার্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের শহরগুলোকে আরও টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল করে তোলা সম্ভব।